
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় সরকারি কলেজ গেট সংলগ্ন একটি কম্পিউটার ও টেলিকম দোকানে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকার মালামাল ও নগদ অর্থ লুট হয়। তবে থানায় অভিযোগের পরপরই পুলিশের দ্রুত তৎপরতায় ৮ ঘন্টার মধ্যেই চোরকে মালামালসহ গ্রেফতার করা হয়েছে।
দোকান মালিক মোঃ ফিরোজ আলী (৩২), পিতা- মোঃ মনিরুল ইসলাম, সাং-বকশিপুর, আলমডাঙ্গা থানায় লিখিত অভিযোগে জানান, তিনি গত শুক্রবার (২৯ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে দোকান বন্ধ করে বাড়ি যান। শনিবার (৩০ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এসে দেখেন, অজ্ঞাত চোরেরা দোকানের উপরের টিন কেটে ভেতরে প্রবেশ করে নগদ প্রায় ১৭ হাজার টাকা, একটি মাইক্রোফোন (মূল্য ১৭ হাজার টাকা), একটি ব্যাটারির চার্জার, একটি মনিটর, দুইটি হার্ডডিস্ক, হেডফোন, ৮টি মোবাইল ফোন ও ৩টি সিমকার্ডসহ বিভিন্ন মালামাল নিয়ে গেছে।চুরির ঘটনাটি শুক্রবার রাত ১১টা থেকে শনিবার ভোর সাড়ে ৫টার মধ্যে ঘটে বলে ধারণা করা হচ্ছে।অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আলমডাঙ্গা পৌর এলাকার এরশাদপুর গ্রামের কফিল উদ্দিনের ছেলে ইয়ামিন আলী (২২)-কে মালামালসহ গ্রেফতার করে। তিনি একাধিক মামলার আসামি বলে জানা গেছে। আলমডাঙ্গা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাসুদুর রহমান পিপিএম জানান, “কলেজের পিছনে কলেজ টেলিকম নামক দোকানে টিন কেটে চুরির ঘটনা ঘটে। অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তৎপরতা চালিয়ে আসামিকে চিহ্নিত করে মালামালসহ গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে, আগামীকাল সকালে আসামিকে চুয়াডাঙ্গা আদালতে প্রেরণ করা হবে।” চুরি হওয়া মালামাল ফিরে পেয়ে দোকান মালিক ফিরোজ আলী বলেন, “আমার ছোট্ট একটি দোকান, অল্প কিছু মালামাল নিয়ে ব্যবসা করি। যখন চুরি হয়ে গেল, প্রায় এক লাখ বিশ হাজার টাকার জিনিসপত্র লুট হলো, তখন আমি ভেঙে পড়েছিলাম। থানায় অভিযোগ করার পর ওসি সাহেব আমাকে আশ্বাস দিয়েছিলেন মালামাল উদ্ধার হবে। সত্যিই অভিযোগের আট ঘন্টার মধ্যেই সব মালামাল উদ্ধার হয়েছে। পুলিশের এই সহযোগিতায় আমি কৃতজ্ঞ ও ধন্যবাদ জানাই বাংলাদেশ পুলিশকে।” পুলিশের এ দ্রুত তৎপরতায় এলাকায় স্বস্তি ফিরেছে এবং ব্যবসায়ীদের মাঝে আস্থা বৃদ্ধি পেয়েছে।










