মোঃজাহিদ হোসেন : বরিশালের হিজলা পল্লী বিদ্যুৎ বরিশাল-১এর আওতাধীন বিদ্যুৎ গ্রাহকদের জনজীবন অতিষ্ঠ। সরে জমিনে দেখা যায় বিদ্যুৎ অফিস নিজেদের খামখেয়ালিপোনায় তাদের ইচ্ছামত লোডশেডিং দিয়ে যাচ্ছে, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন সাধারণ ব্যবসায়ীরা তাদের লোডশেডিং টা বেড়ে যায় প্রচন্ড তাপমাত্রা যখন হয় তখন এবং একটু ঝড়-বৃষ্টি হলেই হিজলা সাব স্টেশন থেকে বন্ধ করে দেয় বিদ্যুৎ সার্ভিস। এবং গ্রাহকের কোন কথাই তাদের সহায় হচ্ছেনা গ্রাহক সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বিদ্যুৎ এর গ্রাহকরা ৷ হিজলা অফিসে ফোন করলে এজিএম ফোন রিসিভ করে তাকে কোন কিছু জানতে চাইলে তিনি হুটহাট রেগে যায়। এদিকে গ্রাহকদের বিলের কপিতে সাবস্টেশনের কন্টাক্ট নাম্বার থাকলে সেই নাম্বারে গ্রাহকরা ফোন দিলে যথাযথভাবে তাদেরকে পাওয়া যায় না কখনো আবার গ্রাহক সেবা ফোনটি বন্ধ করে রাখে,যদিও বিদ্যুৎ আসে তারপরে আবার দিনের মধ্যে আনুমানিক মিনিমাম ৪০ বার আপডাউন করে যার ফলে গ্রাহকদের ফ্যান ফ্রিজ ইলেকট্রিক সরঞ্জামাদি ও টিভি নষ্ট হয়ে যায় এতে করে দেখা যায় বিদ্যুৎ অফিসের কোন কিছু যায় আসে না।বিদ্যুৎ বন্ধ থাকলে গ্রাহক যদি হিজলা বিদ্যুৎ অফিস নাম্বারে ফোন দেয় তাহলে এজিএমকে ফোন করে জানতে চাইলে বিদ্যুৎ কেন বন্ধ? তাহলে তিনি বলেন বরিশাল কাজ চলিতেছে তাই বন্ধ করে রেখেছে, হিজলা সাব স্টেশনে ফোন করলে তারা জানান কোন না কোন জায়গায় কাজ করেছে এই কথা বলে চালিয়ে যায়,খোঁজ নিয়ে দেখা যায় পার্শ্ববর্তী মুলাদী উপজেলায় বিদ্যুৎ থাকে, পার্শ্ববর্তী মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় বিদ্যুৎ থাকে তাহলে আমাদের হিজলা উপজেলার গ্রাহকদেরকে পল্লী বিদ্যুৎ বরিশাল-১বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে যাচ্ছে। এদিকে যথাযথভাবে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ না করলেই কেটে দেয় সার্ভ ৷