“রাজনীতি করব, কারণ আমি চাই পরিবর্তন আনতে।”এই প্রত্যয় নিয়েই রাজনীতির মাঠে পা রাখছেন চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা পৌর এলাকার পুরাতন বাজার এলাকার মোঃ শাফায়েতুল ইসলাম (হিরো) ছেলে, তরুণ সমাজকর্মী, শিক্ষাবিদ এবং ছাত্র আন্দোলনের পরিচিত মুখ মুসাব ইবনে শাফায়েত। দীর্ঘদিন সমাজসেবা ও শিক্ষাক্ষেত্রে অবদান রাখার পর এবার তিনি সক্রিয় রাজনীতিতে যুক্ত হয়েছেন বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) এর মাধ্যমে।একান্ত এক সাক্ষাৎকারে মুসাব বলেন, “আমাদের সমাজে এখনও অনেক অন্যায়, বৈষম্য ও দুর্নীতির শেকড় রয়েছে। বাইরে থেকে সমালোচনা করে লাভ নেই—পরিবর্তন আনতে হলে ভেতরে থেকেই কাজ করতে হয়। আমি সেই সাহসী পথটাই বেছে নিয়েছি।”তরুণদের নেতৃত্বে আনার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আজকের তরুণরা যদি নেতৃত্বে না আসে, তাহলে আগামীর বাংলাদেশ ভালো নেতৃত্ব পাবে না। আমি চাই তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধি হয়ে তাদের স্বপ্ন, সম্ভাবনা ও শক্তিকে জাতীয় উন্নয়নে কাজে লাগাতে।” তিনি জানান, তার রাজনৈতিক দর্শনের মূলভিত্তি হলো—শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান ও মানবাধিকার। এই চারটি খাতকে কেন্দ্র করেই তিনি ভবিষ্যতের কার্যক্রম সাজাতে চান। তার মূল লক্ষ্য একটি দুর্নীতিমুক্ত, স্বচ্ছ ও মানবিক সমাজ গঠন। স্থানীয়ভাবে ইতোমধ্যেই তাঁর জনপ্রিয়তা, স্পষ্টভাষী মনোভাব ও জনদরদী নেতৃত্ব সাধারণ মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। বিশেষ করে তরুণদের মাঝে মুসাবের সাহসী উদ্যোগ নতুন আশা জাগিয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, যদি তিনি তার আদর্শ ও উদ্দেশ্য অটুট রেখে এগিয়ে যেতে পারেন, তাহলে তিনি আগামী দিনের ইতিবাচক রাজনীতির প্রতীক হয়ে উঠবেন।মুসাব ইবনে শাফায়েত“ তিনি আরো বলেন আমার স্বপ্ন একটি মানবিক, উন্নয়নসম্মত ও সুযোগে ভরা চুয়াডাঙ্গা ও আলমডাঙ্গা গড়ে তোলা—যেখানে প্রতিটি নাগরিক মর্যাদা, নিরাপত্তা ও সম্ভাবনার সঙ্গে জীবন যাপন করতে পারবে।আমি এমন একটি আলমডাঙ্গা চাই, যেখানে প্রতিটি মানুষ সহজে চিকিৎসা, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবে। যেখানে কেউ আর্থিক সংকটে চিকিৎসাবঞ্চিত হবে না, শিক্ষার অভাবে পিছিয়ে পড়বে না, কিংবা কাজের অভাবে হতাশ হবে না।আমার চুয়াডাঙ্গা হবে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন, প্রযুক্তিনির্ভর জেলা। যেখানে গ্রামের মানুষের জীবনযাত্রার মান শহরের সঙ্গে সমানতালে এগিয়ে যাবে। তরুণরা চাকরির পেছনে ছোটার বদলে উদ্যোক্তা হবে, নতুন কিছু সৃষ্টি করবে।আমি বিশ্বাস করি—পরিবর্তন শুধু কথা দিয়ে আসে না, কাজ দিয়ে আসে। তাই আমি কাজ করতে চাই মাঠে-ময়দানে, সাধারণ মানুষের পাশে থেকে। স্থানীয় সমস্যা স্থানীয়ভাবেই সমাধানের জন্য আমরা নিজেরা উদ্যোগী হবো—এটাই আমার স্বপ্নের ভিত্তি।এই স্বপ্ন শুধু আমার একার না—এটা আমাদের সকলের। আমি চাই, আমরা সবাই মিলে একসাথে কাজ করি, স্বপ্ন দেখি এবং সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেই।”