টেকনাফের পাহাড়ি জনপদ লেদা নুর আলীপাড়া পাহাড়ী সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য চলছে সন্ত্রাসীদের গ্রুপিং সশস্ত্র মহড়া এলাকাবাসী আতংকে
Spread the love

নিজস্ব প্রতিবেদক, কক্সবাজার: কক্সবাজারের সীমান্ত উপজেলা  টেকনাফের পাহাড়ি জনপদ হ্নীলা ইউনিয়নের লেদা নুরআলী পাড়া  এখন রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী, অপহরণকারী,ডাকাত
গ্রুপের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। নিত্য নৈমিত্তিক চলছে  ভাগবাটোয়ার জন্য গ্রুপে – গ্রুপে সশস্ত্র মহড়া,এলাবাসীর আতংকে ঘুম হারাম হয়েগেছে বলে  খবর পাওয়া গেছে।
রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী নুর কামাল গ্রুপ, খালেদ গ্রুপ ও শইফফ্যা গ্রুপের মাঝে দফায় দফায় অস্ত্রেরের মহড়ায় এলাকা বাসী কে রীতিমতো ভাবিয়ে তুলেছে। বিবাদমান গ্রুপ গুলোর আধিপত্য বিস্তার  অপহরণ  বাণিজ্য ও ভাগবাটোয়ারা নিয়ে এসব অস্ত্রের মহড়া চলে আসলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কোন ধরনের সাহসী পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়না।
নুর আলী পাড়ার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক  স্থানীয় বাসিন্দা জানিয়েছেন বিগত ২০১৭ সালে মিয়ানমারে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গারা নয়াপাড়া রেজিস্ট্রার্ট রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১ও২ আন রেজিস্ট্রার্ট রোহিঙ্গাক্যাম্প ক্যাম্প- ২৬,২৭ এর শালবাগান,জাদীমুরা, নুর আলী পাড়া,২৪ ক্যাম্পের লেদাও ২৫ ক্যাম্পের আলী খালী,রঙ্গিখালী সহ রোহিঙ্গা ক্যাম্প অধ্যুষিত পাহাড়ী জনপদ গুলোতে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন  নাম ও ছদ্ম নাম ধারণ করার মধ্যদিয়ে  সন্ত্রাসী গ্রুপ সৃষ্টি করে নিয়মিত মাদক ব্যবসা,অপহরণ বাণিজ্য, ডাকাতি,সন্ত্রাসী সহ নানা অপকর্ম পরিচালনা করে এক বিভীষিকাময় পরিস্থিতির সৃষ্টি করেই চলছে। খুন,অপহরণ ওডাকাতি তাদের নিত্যদিনের ঘটনায় পরিণত হয়েছে বলে এলাকাবাসী জানায়।
গত ৮ জুলাই  বিকাল ৩ টার দিকে নুর আলীপাড়ার  পাহাড়ি জনপদ এলাকায় দিল মোহাম্মদের ছেলে ডজন মামলার পলাতক আসামী শফি প্রকাশ শইফফা ডাকাত খালেদ,স্থানীয়  আবুল হোছনের ছেলে খালেদ ডাকাত,ও রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী আবুল কালামের ছেলে নুর কামালের নেতৃত্বে বার্মায়া ছৈয়দ নুর ডাকাত,রাসেল প্রকাশ আব্বুইয়া ডাকাত,কামাল,বেলাল,নুর হাসান, হাশিম উল্লাহ ও মোহাম্মদশাহ প্রকাশ মাইস্স্যা ডাকাত সহ ২০/২৫ জনের সশস্ত্র  সন্ত্রাসী গ্রুপ প্রকাশ্যদিবালো আধিপত্য বিস্তার ও ভাগবাটোয়ারা কে কেন্দ্র করে অস্ত্রের মহড়া চালালে ও স্থানীয়  আইন শৃংখল বাহিনীর  সদস্যরা ছিল নিরব দর্শকের ভুমিকায়।
তাদের ভারী অস্ত্রের কাছে তারা ছিল নিরুপায়।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে আরো জানাযায় রোহিঙ্গা এই সন্ত্রাসীদের কাছে যে সব ভারী অস্ত্র  গুলো রয়েছে তা বাংলাদেশের  অনেক প্রশাসনের কাছে ও নাই। তাই তাদের ধাপটের কাছে তারা হার মানে।
এমন কি সম্প্রতি সময়ে এই পাহাড়ী আস্তানা গুলোতে যৌথ বাহিনী অভিযান চালালেও তেমন কোন উল্লেখযোগ্য চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের আটক করা সম্ভব হয়নি। এতে করে  ডাকাত দলের দৌরাত্ম  আরো বেড়ে গেছে। নিয়মিত চলছে অপহরণ বাণিজ্য ও মুক্তিপণ আদায়ের মত ঘটনা। এছাড়া ও
১২ জুলাই সকাল ১১ ঘটিকার সময় দুই ডাকাত গ্রুপের গুলাগুলিতে আই ব্লকের ডাকাত রফিক নামের এক ডাকাত গুলিবিদ্ধ হয়।
এই ভাবে দিন ডেলি প্রকাশ্যে অস্ত্রবাজিতে এলাকার স্থানীয় জনসাধারণ রীতিমত আতংকিত হয়ে পড়েছে। এবিষয়ে এলাকাবাসী যৌথ বাহিনীর অভিযান কামনা করেছেন।
এবিষয়ে টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মোহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন বলেছেন সন্ত্রাসী যেই হোক না কেন তাদের কে ধরার জন্য কয়েক দফা যৌথ অভিযান চালানো হয়েছে। এখনো অভিযান চলমান রয়েছে। সকল অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে।

সর্বশেষ খবর

Sat Sun Mon Tue Wed Thu Fri
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31