
জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের প্রথম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে “আপ বাংলাদেশ”-ইউনাইটেড পিপল অফ বাংলাদেশ এর উদ্যোগে ভোলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে এক ব্যতিক্রমী পদযাত্রা ও পথসভা। বোরহানউদ্দিন থেকে চরফ্যাশন পর্যন্ত বিস্তৃত এই কর্মসূচিতে ফ্যাসিবাদবিরোধী জোরালো বার্তা ছড়িয়ে পড়ে জনপদজুড়ে।
পথসভায় সংগঠনের প্রধান আলি আহসান জুনায়েদ বলেন,
“এই দেশ কারও ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। ইনসাফ, মর্যাদা ও নৈতিকতার ভিত্তিতে একটি নতুন বাংলাদেশ গড়াই আমাদের অঙ্গীকার।”
তিনি আরও বলেন,
“আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি, কিন্তু যারা গণতন্ত্রের মুখোশ পরে স্বৈরশাসন চালায়—তাদের বিরুদ্ধে আমরা আপসহীন।”
জনসম্পৃক্ততা ও নেতৃবৃন্দের উপস্থিতি
ব্যক্তিগত কারণে সংগঠনের অন্যতম মুখ রাফে সালমান রিফাত উপস্থিত থাকতে না পারলেও আলি আহসান জুনায়েদসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সরব উপস্থিতি কর্মসূচিতে প্রাণ সঞ্চার করে। পথসভা ঘিরে ভোলার বিভিন্ন প্রান্তে সাধারণ মানুষের মধ্যে উৎসাহ ও রাজনৈতিক সচেতনতা লক্ষণীয়ভাবে বৃদ্ধি পায়।
পথসভার তিনটি মূল বার্তা
পথসভায় বক্তারা জনগণের উদ্দেশ্যে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা তুলে ধরেন:
১. ফ্যাসিবাদ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি
২. ইনসাফ, মানবিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধে প্রতিষ্ঠিত একটি নৈতিক রাষ্ট্রের দাবি
৩. জনতার শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ করে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রস্তুতি
জনতার প্রতিক্রিয়া
ভোলাবাসী স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন—তারা আর হতাশায় ডুবে থাকতে চান না। তারা পরিবর্তনের বার্তা গ্রহণ করছেন, এবং আপ বাংলাদেশকে সেই পরিবর্তনের একজন বিশ্বাসযোগ্য বাহক হিসেবে দেখতে শুরু করেছেন।
এই কর্মসূচি স্থানীয় রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে একটি নতুন বার্তা পৌঁছে দেয়:
আন্দোলন কেবল প্রতিক্রিয়া নয়, এটি বিকল্প রাষ্ট্রদর্শনের পক্ষেও একটি সক্রিয় আহ্বান।










