
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার দক্ষিণ বাটামারা বায়তুল আমান নূরানী ও হাফেজিয়া মাদ্রাসার উন্নয়ন কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে এলাকায় চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার জুমার নামাজের পরপরই মসজিদের খতিব ও সাধারণ মুসল্লীদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে, যা স্থানীয়দের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ ছড়িয়ে দেয়।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়দের ভাষ্য মতে, এই হামলার পেছনে দক্ষিণ বাটামারা এলাকার প্রভাবশালী এক শিক্ষক মোঃ নাজিম মাষ্টারের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, তিনি দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানে প্রভাব বিস্তার করে আসছেন এবং সম্প্রতি মাদ্রাসার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডেও অযাচিত হস্তক্ষেপ করছেন।
ঘটনার পর স্থানীয় মুসল্লীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন এবং শান্তিপূর্ণ অবস্থান নেন। কিন্তু পরবর্তীতে বিস্ময়ের সাথে দেখা যায়, হামলার শিকার মসজিদের খতিবসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে, যেটিকে এলাকাবাসী “মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত” বলে দাবি করছেন।
এলাকার একাধিক বাসিন্দা জানান, জনাব নাজিম মাষ্টার তার সামাজিক প্রভাব কাজে লাগিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসীর উপর অন্যায় জুলুম করে যাচ্ছেন এবং এই হামলার ঘটনাও তার পরিকল্পনার অংশ বলে তারা বিশ্বাস করেন।
এ অবস্থায় স্থানীয়রা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা দাবি করেন, একটি নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় এনে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি তারা সকল পক্ষকে ধৈর্য ও সংযম বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন যেন এলাকার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট না হয়। 










