
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় বিদেশে পাঠানোর প্রলোভনে অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কার আত্মসাতের অভিযোগে প্রতারণা মামলার এক নারী আসামীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ অনুযায়ী, অভিযুক্ত চক্রটি অন্তত ২৫ লাখ টাকার বেশি আত্মসাৎ করেছে। পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, আলমডাঙ্গা উপজেলার বন্ডবিল গ্রামের মো. ইসমাইল হোসেন (২৫) ও তার চাচা কাজী আল আমিন হকের (৫৫) কাছ থেকে বিদেশে পাঠানোর আশ্বাস দিয়ে ২ লাখ ৬০ হাজার ও ৭ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় প্রতারক চক্রটি। একইভাবে আরও চারজন নারীর কাছ থেকে বিভিন্ন অঙ্কের টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার আত্মসাৎ করা হয়েছে। শিউলি খাতুন: নগদ ৩ লাখ টাকা ও ২ ভরি স্বর্ণ নেলিনা খাতুন: ৫ লাখ টাকা ও ১ ভরি স্বর্ণ মনোয়ারা খাতুন: ৭ লাখ টাকা মাজেদা খাতুন: ১ লাখ ২২ হাজার টাকা
অভিযুক্তরা হলেন –
১. মোছা. রিনা খাতুন (৪৪), স্বামী- মো. আনোয়ার হোসেন, সাং- এরশাদপুর চাতাল মোড়
২. মোছা. সালমা খাতুন (৫০), স্বামী- মো. সুমন আলী, সাং- হারদী, উভয়েই আলমডাঙ্গা উপজেলার বাসিন্দা। এছাড়া আরও কয়েকজন অজ্ঞাতনামা প্রতারক এ চক্রের সঙ্গে জড়িত রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় সোমবার (২৩ জুন) আলমডাঙ্গা থানায় প্রতারণা মামলা (নং-১৮/২০২৫, ধারা- ৪০৬/৪২০ দণ্ডবিধি) রুজু করা হয়। আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মাসুদুর রহমান পিপিএম জানান, মামলার ভিত্তিতে এসআই (নিঃ) মো. মনিরুল হক হাওলাদারের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে প্রতারক চক্রের অন্যতম সদস্য মোছা. রিনা খাতুনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করেছে। অভিযানে বাকি আসামীদের গ্রেপ্তারে তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র এ ধরনের প্রতারণা করে আসছিল। পুলিশের এ অভিযানে এলাকাবাসী স্বস্তি প্রকাশ করেছে এবং বাকি আসামীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছে।










