মোখলেছুরের অত্যাচারে অতিষ্ঠ গ্রামবাসী চান প্রতিকার, শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল

পঞ্চগড় প্রতিনিধি পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় মোখলেছুর রহমান চৌধুরী নামে এক ব্যাক্তির বিরুদ্ধে মামলা দেয়ার হুমকী, পুলিশ, র‍্যাব, সেনাবাহিনী দিয়ে স্থানীয়দের তুলে নিয়ে যাওয়া সহ নানামুখী অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন গ্রামবাসীরা। প্রতিকারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন করেছেন তারা। সোমবার দুপুরে মালকাডাঙ্গা গ্রামবাসীর ব্যানারে উপজেলার বড়শশী ইউনিয়নের মালকাডাঙ্গা বাজারে কালিয়াগঞ্জ-বড়শশী সড়কের একপাশে দাঁড়িয়ে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এসময় স্থানীয় মিজানুর রহমান, আখিমুল ইসলাম, আপন সহ স্থানীয়রা বক্তব্য রাখেন। মানববন্ধনে শতাধিক স্থানীয় মানুষজন অংশ নেন। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, মোখলেছুর রহমান চৌধুরী নামে ওই ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে সাবেক রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজনের সহযোগী ছিলেন। তিনি ফ্যাসিস্ট দোসর। বর্তমানে তিনি যার তার নামে ফেসবুকে পোস্ট করে মানহানি করছেন। বিভিন্ন ব্যাক্তির কাছে গিয়ে চাঁদা দাবি করছেন। নিজের বাগানের সুপারী বিক্রি করার পরেও তারা ব্যবসায়ীদের নিতে দিচ্ছেন না। স্থানীয় বেশ কয়েকটি বাজারে বাকীতে বাজার সদাই করে দোকানদারদের উল্টো মামলার ভয়ভীতি প্রদর্শন করছেন। এর প্রতিবাদ করতে গেলে পুলিশ, র‍্যাব ও সেনাবাহিনী দিয়ে তুলে নিয়ে যাওয়া দর হুমকি দিচ্ছেন। স্থানীয়দের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা করার হুমকিও দিচ্ছেন। সম্প্রতি তিনি নিজেকে সাংবাদিক দাবি করে চাঁদাবাজি সহ নানা অপকর্মে লিপ্ত হয়ে পড়েছেন।
বক্তারা মাখলেছুরের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন। অন্যথায় তার বিরুদ্ধে বৃহৎ আন্দোলন গড়ের তোলার হুঁশিয়ারী দেন তারা। পরে মখলেছুরের শাস্তির দাবিতে মালকাডাঙ্গা বাজারে বিক্ষোভ মিছিল করেন স্থানীয়রা। এনিয়ে মোখলেছুরের মন্তব্য জানতে একাধিকবার তার ব্যবহৃত মুঠোফোনে কল দিলেও রিসিভ করেন নি তিনি। বড়শশী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম বলেন, মখলেছের অপকর্মের শেষ নেই। তাকে নিয়ে বিগত দিনে পরিষদে বিচার শালিস হয়েছে। বর্তমানে সে কিছু কাজ করছে যা বলার বাইরে। কিছুদিন আগে সে সুপারি বাগান বিক্রি করে ব্যবসায়ীদের উল্টো কোদাল দিয়ে ধাওয়া করে। করোনার সময় সে ট্রাকের চালকদের আটকে চাঁদা নিয়েছে। আওয়ামী লীগের আমলে অনেককে চাকরি দেয়ার নাম করে টাকা নিয়েছে কিন্তু ফেরত দেয়নি। তার বিষয়ে আর কিছু বলতে চাইনা।

সর্বশেষ খবর

Sat Sun Mon Tue Wed Thu Fri
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031