
হিজলা উপজেলা প্রতিনিধি মোঃ জাহিদ হোসেন বরিশালের হিজলা উপজেলা বনাম শরিয়তপুর জেলার গোসাইরহাট উপজেলায় ভুল তথ্যের ভিত্তিতে সারা দেশে এমপিও ভূক্ত হওয়ার প্রক্রিয়ায় মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক ১৫১৯ টি স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার প্রকৃত অবস্থান শিক্ষা-কার্যক্রম সরেজমিন তদন্ত চলমান। মাদ্রাসার নামে এলাকার ধর্মপ্রাণ ও শিক্ষানুরাগী স্থানীয় ৫ ব্যাক্তি ৪০ শতাংশ ভূমি ১১/১১/১৯৮৫ দলিল নং ১৮২৪ মাদ্রাসার নামে দান করেন। সে সুবাদে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের যাবতীয় বিধি বিধান পালন সাপেক্ষে ১৯৮৫ সাল থেকে প্রথম স্বীকৃতি লাভ করে আজ পর্যন্ত চলমান আছে। আধুনিক ও ধর্মীয় শিক্ষায় ছাত্র ছাত্রীদের মধ্যে এজাবৎ প্রায় ৩০ জন শিক্ষার্থী টেলেন্টপুল ও সাধারণ বৃত্তি লাভ করে। সরকারি ভাবে অর্থ না পেয়েও এখানকার শিক্ষকগণ পাঠদান চালিয়ে আসছে। বর্তমানে মাদ্রাসায় প্রায় ২৫০ জন ছাত্র ছাত্রী আছে ৷ জানা যায় এক সময় কুচাইপট্রি ইউনিয়নটি বরিশাল জেলার হিজলা উপজেলার অন্তর্ভুক্ত ছিল। নদীমাতৃক এলাকা হওয়ায় মেঘনার শাখা নদীর দক্ষিণ প্রান্তে হিজলা উপজেলা। প্রায় ২০ কি. মি উত্তর প্রান্তে শরীয়তপুর জেলা সংলগ্ন জনগণের দূর্ভোগ লাঘবে গোসাইরহাট উপজেলার সাথে ২০০৩ সালে অন্তর্ভুক্ত করা হ্য়। তখন থেকে অত্র মাদ্রাসার প্রশাসনিক সকল কার্যক্রম শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলার ঠিকানায় পরিচালিত হয়ে আসছে। অত্যান্ত দুঃখের বিষয় হলো, এ মাদ্রাসার আসল ঠিকানা গোপন রেখে হিজলা উপজেলার চরপত্তনি ভাঙ্গা গ্রামে জনৈক শাহজালাল ও জসিম উদ্দীন সহ আরও অনেকে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের সহযোগিতায় দুর্নীতির পথ অবলম্বন করে কুচাইপট্রি স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা নাম ধারণ করে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরে তালিকা প্রেরণ করেন। এ তথ্য ফাঁস হলে খবর পেয়ে মাদ্রাসাসার প্রধান শিক্ষক আবদুল বাতেন ছুটে যায় হিজলা উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মহিউদ্দিনের অফিসে,অফিসে গিয়ে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোন সৎউত্তর দিতে পারেননি। এক পর্যায়ে তিনি মাদ্রাসার কাগজ পত্র দেখতে চান গত ৮মে ২০২৫ তারিখে সকল কাগজ পত্র জমা দিয়ে মাদ্রাসার নামে একটি প্রত্যয়ন পত্র চেয়ে আবেদন করেন। তিনি কাগজ পত্র বিশ্লেষণ করে বলেন- মাদ্রাসার সকল কাগজ পত্র সঠিক পাওয়া যায়। তাই প্রত্যয়ন পত্র দিতে কোন সমস্যা হবেনা। তবে যেহেতু উপজেলার কর্ণধার নির্বাহী অফিসার মহোদয়ের সাথে আলাপ শেষে যথা সময়ে প্রত্যয়ন পত্র দেয়া হবে। এ আশ্বাস পেয়ে মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত শরীয়তপুর থেকে নদী পথে পাড়ি দিয়ে ১০ বার আসা যাওয়া করলেও নানা অযুহাত দেখিয়ে আজও প্রত্যয়ন পত্র দেয়া হয়নি। ফলে ২৫০ জন ছাত্র ছাত্রীর শিক্ষা কার্যক্রম যেমন- বেঘাত হচ্ছে তেমনি মাদ্রাসাটির এমপিও ভুক্তি করণ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। স্থানীয় অভিভাবকদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়ে অনেকেই বলছেন হিজলা উপজেলার মাধ্যমিক অফিসার এর ভুলের কারণে দুই উপজেলার রশি টানাটানি আর কতদিন চলবে। শিক্ষানুরাগী মহল মনে করে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর এ বিষয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত দিবেন বলে আশাবাদী। এ ব্যাপারে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ মহিউদ্দিন যানান আমি যথারিথি তদন্ত সাপেক্ষে দেখলেও, উপজেলা নির্বাহী অফিসারন্ত কো সিদ্ধান্ত না দেওয়া পরন্ত কিছুই করা সম্ভব হবেনা। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মোঃ ইলিয়াস সিকদার যানান আমি বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে নিশ্চিত না হওয়া পরযন সিদ্ধান্ত দিতে পারবোনা।










