খন্দকার শাহ আলম মন্টুঃ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আলমডাঙ্গা উপজেলা শাখার বর্ণাঢ্য আয়োজনে ইসলামি ছাত্র আন্দোলনের সাবেক ভাইদের নিয়ে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১০ জুন সকাল ৯ টার দিকে আলমডাঙ্গা সরকারি কলেজ মিলনায়তনে ঈদ পুনর্মিলনী উপলক্ষে আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জিএ সাংগঠনিক থানা শাখার আমির আব্বাসউদ্দিন।প্রধান অতিথি ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির জননেতা মোঃ রুহুল আমিন। তিনি তার বক্তব্য বলেন দেশে সুনাগরিক ও নেতৃত্ব তৈরি করছে ছাত্রশিবির। দেশে সুনাগরিক তৈরি করে বাংলাদেশকে ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে ইসলামী ছাত্রশিবিরের ভাইদের এগিয়ে এসে দেশ গঠনে জাতির জন্য কাজ করতে হবে।
জুলাই বিপ্লবের ছাত্র-জনতার রক্তের সাথে বেইমানি করে এ দেশে কারো রাজনীতি করার সুযোগ নেই। জুলাই বিপ্লব কখনো বৃথা যেতে পারে না। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করে একটা আবাদ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের আয়োজন করার আহ্বান জানান তিনি। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সহকারী সেক্রেটারি ও চুয়াডাঙ্গা ১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী এ্যাডঃ মাসুদ পারভেজ রাসেল। তিনি বলেন এই সমাজ অপসংস্কৃতি, চাঁদাবাজ ও দখলবাজদের কবলে। সমাজ থেকে কু-সংস্কার ও অপরাজনীতি দূর করে একটি সুখী, সুন্দর, সমৃদ্ধশালী ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান জামায়াতে ইসলামীর এই নেতা। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চুয়াডাঙ্গা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ আলতাফ হোসাইন, চুয়াডাঙ্গা জেলা জামায়াতে ইসলামীর যুব বিভাগের সভাপতি শেখ নূর মোহাম্মদ হোসাইন টিপু,চুয়াডাঙ্গা জেলা জামায়াতে ইসলামীর আইন বিষয়ক সম্পাদক ও আলমডাঙ্গা উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী মোহাম্মদ দারুস সালাম, আলমডাঙ্গা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রভাষক মুন্সি শফিউল আলম বকুল, পৌর জামায়াতের আমির মাহের আলী, সেক্রেটারি মোসলেম উদ্দিন, চুয়াডাঙ্গার সদর পৌর আমির হাসিবুল ইসলাম। জেলা শ্রমিক কল্যাণ সেক্রেটারি কায়েম উদ্দিন হিরকের সার্বিক পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন জেলা কর্মপরিশোধ সদস্য কাইমুউদ্দিন হিরন, পৌর শ্রমিক কল্যাণ সম্পাদক প্রভাষক শাহিন শাহেদ, পৌর শাখার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের আমির প্রধান শিক্ষক শামসুল আরেফিন, ইসলামী সংগীত পরিবেশন করেন কুষ্টিয়া শহর শাখার হিল্লোল সাহিত্য সাংস্কৃতিক সংসদের সহকারি পরিচালক মোহাম্মদ রাসেল আহমেদ। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন জামাত নেতা অধ্যক্ষ মাওলানা জুলফিকার আলী, জামাত নেতা সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ইউসুফ আলী, মিডিয়া প্রচার সেলের দায়িত্বে নিয়োজিত জামাত নেতা আমানউদ্দিন।আলোচনা পর্বে জামায়াত নেতৃবৃন্দ ঈদের মিলনমেলায় ইসলামী আন্দোলনের গুরুত্ব, আদর্শিক চেতনা ও সাংগঠনিক বন্ধন আরও দৃঢ় করার আহ্বান জানান।