
প্রচারণার সময় তিনি এলাকার জনগণের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং জনগণের বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনার বিষয়ে কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, উন্নত চুয়াডাঙ্গা গড়তে তিনি দারিদ্র্য দূরীকরণ, শিক্ষা বিস্তার এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করবেন।
এ্যাডভোকেট রাসেল তার বক্তব্যে বলেন, "আমি জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই। আমার লক্ষ্য চুয়াডাঙ্গাকে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও শান্তিপূর্ণ এলাকা হিসেবে গড়ে তোলা। এজন্য আমি সবার সমর্থন ও দোয়া চাই।"
তিনি আরও বলেন, "জনগণের সমস্যাগুলো আমি খুব কাছ থেকে দেখেছি এবং জানি। সেসব সমস্যার সমাধানে আমি অঙ্গীকারবদ্ধ। আমার প্রতিশ্রুতি শুধু কথায় সীমাবদ্ধ থাকবে না, তা আমি কাজে প্রমাণ করতে চাই।"
নির্বাচনী প্রচারণার সময় এলাকাবাসী তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানায় এবং তার প্রতি আস্থা প্রকাশ করে। তারা বলেন, এ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেলের নেতৃত্বে তারা একটি সুশাসিত সমাজের স্বপ্ন দেখছেন।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং জামায়াতে ইসলামীর কর্মসূচি নিয়েও আলোচনা করেন।
জনগণের সমর্থন পেলে এ্যাডভোকেট রাসেল একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দেন।