আসন্ন ঈদুল আযহা ২০২৫ কে সামনে রেখে কুষ্টিয়া জেলায় প্রায় ২ লক্ষাধিক কুরবানীর পশু প্রস্তুত করা হয়েছে। কুরবানীর পশুর হাট গুলোই কুষ্টিয়ার গরুর বাড়তি চাহিদা থাকায় এ বছরেও অনেক কৃষক খামারী গরু পালন করেছেন।
কুরবানীর বাজার ধরতে তাদের পোষা প্রাণীটির পরম যত্নআত্তি করছেন খামারীরা। সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে ও দেশীয় পদ্ধতিতে গরু লালন পালন এবং মোটাতাজা করছে জেলার খামারীরা। বাড়তি লাভের আশায় শেষ মুহূর্তে পশুর পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা।
জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের তথ্য অনুযায়ী চলতি বছর কুষ্টিয়া জেলায় প্রায় সাড়ে ১৮ হাজার খামার ও কৃষকের বাড়িতে ২ লক্ষাধিক গরু ছাগল সহ বিভিন্ন প্রজাতির কুরবানীর পশু মোটা তাজা করা হচ্ছে।
এসব কোরবানির পশু স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হবে। এবার জেলায় সবচেয়ে বেশি কুরবানীর পশু প্রস্তুত করা হয়েছে সীমান্তবর্তী দৌলতপুর উপজেলায়। খামারিরা জানান, প্রতি কুরবানীর ঈদের দুই এক মাস আগে থেকেই হাটে হাটে ঘুরে বেপারীরা গরু কিনে ঢাকা-চট্টগ্রাম সহ দেশের বিভিন্ন জেলায় নিয়ে যায় তবে এবার সেই সংখ্যা অনেক কম।
জেলায় বড় পশুর হাট রয়েছে ১২ টি। এসব হাট ছাড়াও প্রত্যন্ত অঞ্চলে আরো ছোট ছোট হাট-বাজারে বিক্রির জন্য প্রতিদিন হাজার হাজার গরু ছাগল নিয়ে আসছে খামারিরা কিন্তু তুলনামূলকভাবে এখনো কম।
ঈদুল আযহার আর মাত্র কয়দিন বাকি থাকলেও বাইরের বেপারিদের দেখা মিলছে না এই নিয়ে ন্যায্য মূল্যের আশঙ্কায় আছে অনেক খামারিরা।