
এ আর হেলাল : ভোলা সদর উপজেলার ধনিয়া ইউনিয়নের আতঙ্ক ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী ধনিয়া ৪ নং ওয়ার্ডের বর্তমান মেম্বার আজিজুল হক পাটোয়ারী অবশেষে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের হাতে মাদকসহ গ্রেফতার হয়। ধনিয়াবাসীর প্রত্যাশা ছিল জুলাই অভ্যুত্থান পরবর্তী যৌথ বাহিনীর অভিযানে ফ্যাসিস্টের দোসর চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী আজিজুল হক মেম্বার ও ও তার সহযোগীরা গ্রেপ্তার হবে এবং জনমনে শান্তি ও স্বস্তি ফিরে আসবে কিন্তু যৌথ বাহিনী তা করতে ব্যর্থ হয়। গত সোমবার (২৬ মে) রাতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সাব ইন্সপেক্টর সোহেল রানার নেতৃত্বে এএসআই জিয়া ও এএসআই কবিরের সমন্বয়ে গঠিত একটি টিম এক গোপন অভিযান পরিচালনা পতিত আওয়ামী সরকারের দোসর ধনিয়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক, ধনিয়া ৪ নং ওয়ার্ডের মেম্বার কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী আজিজুল হক পাটোয়ারী পিতা মৃত মানিক পাটোয়ারী কে বেশ কিছু ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করেন, আটক হওয়া পূর্বে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিতে টের পে সে পালানোর জন্য পুকুরে ঝাঁপিয়ে পড়ে,পরে তাকে পুকুর থেকেই গ্রেফতার করা হয়। স্থানীয়দের দাবি আজিজুল হক মেম্বার ইতিপূর্বে সে যতবারই গ্রেফতার হয়েছে প্রতিবারই গ্রেফতার হওয়ার পূর্বে সে পুকুরে ঝাঁপিয়ে পড়ে, মূলত তার সাথে থাকা ইয়াবা ও মাদকর দ্রব্য গুলোকে পুকুরের পানিতে ফেলে দেওয়াই হলো এর মূল উদ্দেশ্য যাতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী তাকে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য সহ গ্রেপ্তার করে মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে চিহ্নিত করতে না পারে। উল্লেখ্য ইতি পূর্বে সে বেশ কয়েকবার মাদক দ্রব্যসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জিজ্ঞাসাবাদে কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী আজিজুল হক মেম্বার জানান: ধনিয়া ৫ নং ওয়ার্ডের দরিরাম শংকড়ের বাসিন্দা ফরিদ মালের ছেলে রমজান আলী রনির থেকে সে এবং তার সঙ্গীরা ৩৩ পিস ইয়াবা সংগ্রহ করে। রমজান আলী রনি মূলত একজন পুলিশ কনস্টেবল ছিলেন, চাঁদাবাজি ও অবৈধ মাদক ব্যবসা এর সাথে সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হওয়ায় সে তার পুলিশি চাকরি হারায়, আর তার সহযোগী হলো ফ্যাসিস্টের দোসর ধনিয়া ৪ নং ওয়ার্ডের মেম্বার আজিজুল হক পাটোয়ারী, পশ্চিম ধনিয়া খালপার এলাকার মৃত জয়নাল আবেদীনের ছেলে ইসমাইল হোসেন পোনার, পশ্চিম কানাইনগর এলাকার লতিকে বাড়ি সংলগ্ন (লঞ্চে) বাদাম বিক্রেতা মৃত শেখ ফরিদের ছেলে হৃদয়সহ বেশ কয়েকজন। এলাকাবাসীর অভিযোগ বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের কতিপয় ব্যক্তির সহযোগিতায বারবার এরেস্ট হওয়া সত্বেও এরা আইনের ফাঁকফোকর বের হয়ে আসতেন এবং মাদক কারবার চালাতেন, জুলাই অভ্যুত্থানের পরবর্তী সময়ে এরা আত্মগোপন করে ঘা ঢাকা দিয়েছিলেন, বর্তমানে তারা জুলাই অদ্যুত্থানের অন্যতম স্টিক হোল্ডার একটি দলের কতিপয় ব্যক্তির ও তথাকথিত নেতার সহযোগিতায় এলাকায় আসেন এবং তাদের মাদক ব্যবসাকে পূর্বের চেয়ে আরো বেশি ও ব্যাপকভাবে শুরু করে, এলাকাবাসীর দাবি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী যেন এই চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে তাদেরকে সহযোগিতা দানকারী ব্যক্তিদেরকেও যেন গ্রেপ্তার করা হয়।










