নকল পৌঁছানোর আশ্বাসে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ।
Spread the love

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার দূর্গাপুর ইউনিয়নের গোড়াই পাঁচ পীর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ শহিদুর রহমানের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম – দূর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায় গোড়াই পাঁচ পীর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ শহিদুর রহমানের দূর্নীতি ও প্রতারনার কাজে সহায়ক হিসাবে কাজ করেছেন অত্র প্রতিষ্ঠানের ২০২৫ সালের এস এস সি পরীক্ষার বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র মোঃ রায়হান আলী, যার রোল নম্বর ৬৩৩৬২০/২০২১ গোড়াই পাঁচ পীর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০২৫ সালের মোট এস এস সি পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১১৩ জন। যার মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগে ৬৯ জন এবং মানবিক বিভাগে ৪৪ জন। গোড়াই পাঁচ পীর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ শহিদুর রহমান অত্র প্রতিষ্ঠানের এস এস সি পরীক্ষার্থী মোঃ রায়হান আলীকে দিয়ে বেশ কিছু ছাত্রদের কাছ থেকে এস এস সি পরীক্ষার কক্ষে নকল পৌঁছে দেওয়া ও সিট প্লান এক সাথে করে দেয়ার কথা বলে জন প্রতি ৩ থেকে ৬ হাজার টাকা উত্তলন করেছেন। অনুসন্ধানে উঠে এসেছে এছাড়াও তিনি নিজেই আরো কয়েক জন ছাত্রদের কাছ থেকে নগদ অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন। ত ২৭ রমজানে তিনি সকল টাকা নিজ হাতে নিয়ে দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড যাওয়ার কথা বলেছেন। এবারে ২০২৫ সালের এস এস সি পরীক্ষা ১০-০৪-২০২৫ ইং তারিখে শুরু হয়েছে।ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ শহিদুর রহমান জানান,  প্রথম পরীক্ষার বিষয় বাংলা হওয়ায় তোমাদেরকে কোন নকল দেয়া হবে না। ইংরেজি পরীক্ষার দিন থেকে তোমাদের সকলকেই পরীক্ষার হল রুমে সব নকল পৌঁছে দেওয়া হবে।এদিকে পরীক্ষার্থীরাহলরুমেগিয়েদেখে তাদের সিট প্লান ভিন্ন ধরনের। একেকজন একেক জায়গায় বসতে হবে। এদিকে পরীক্ষার্থীরা তাদের প্রথম পরীক্ষা শেষ করে পরীক্ষার কেন্দ্র থেকে বের হয়ে দূনীতিবাজ ও প্রতারক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ শহিদুর রহমান ও তার সহযোগী মোঃ রায়হান আলীকে আটক করে বাক বিতর্কতায় জরিয়ে পরে। পরে দূর্নীতিবাজ ও প্রতারক ভারপ্রাপ্ত পধান শিক্ষক তাদেরকে বিভিন্ন সুকৌশলে বুঝিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। পরের ১৫-০৪-২০২৫ ইং তারিখে শুরু হলো দ্বিতীয় পরীক্ষা, যার বিষয় ছিল ইংরেজি। পরীক্ষার্থীরা আগের মতই পরীক্ষার হল রুমে গিয়ে নিজ নিজ আসনে বসে পড়লো। পরীক্ষার ৩ ঘন্টা পেরিয়ে গেলেও মিললোনা নকলের দেখা। পরীক্ষা শেষ করে তারা রায়হান আলী ও প্রতারক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের কাছ থেকে টাকা ফেরত চাইলে শুরু হয়ে যায় আবারো বাকবিতন্ডা। পরে তাদেরকে টাকা ফেরত দেয়ার কথা বলে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ শহিদুর রহমান। অবশেষে পরীক্ষার শেষের দিন প্রতারক রায়হান আলীকে আটক করে (সবুজ, অনিক,সোহেল,আবু সিদ্দিক, ফেরদৌস সহ) আরো বেশ কয়েকজন পরীক্ষার্থী।সেই সাথে রায়হানের ভিডিও করে এবং রায়হান বলে যে, আমি আমার প্রবেশ পত্র রেখে গেলাম, টাকা দিয়ে প্রবেশ পত্র ফেরত নিয়ে যাবো। এভাবে কেটে গেলো সব পরীক্ষা কিন্তু তারা কেউ এখনো টাকা ফেরত পায় নি। তারিখের পর তারিখ পেরিয়ে যাচ্ছে এর কোন শুরা মিলছেনা এখনো। কিছু দিন পর ভুক্তভোগীরা রায়হান আলীর উপর চাপ সৃষ্টি করে। পরে রায়হান আলী গোড়াই পাঁচ পীর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় গিয়ে কিছু সিনিয়র সহকারী শিক্ষকদের কাছে অভিযোগ দেয়। শিক্ষকরা রায়হানের কাছ থেকে সব কথা শুনেন এবং ঐ প্রতিষ্ঠনের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক মোঃ শহিদুর রহমানের সাথে কথা বলে টাকা ফেরত দেয়ার কথা জানিয়ে দেয়। শুধু তাই নয় বিদ্যালয়ের ভর্তি ফি, সাময়িক পরীক্ষার ফি, সরকারি তহবিল(অর্থাৎ টিউশন ফি) নবম শ্রেণীর রেজিঃ ফি, এস এস সি পরীক্ষার ফরম পুরন ফি এবং বিদ্যালয়ের মাসিক ফি সহ সকল প্রকার দূর্নীতির অভিযোগ উঠে এসেছে।

সর্বশেষ খবর

Sat Sun Mon Tue Wed Thu Fri
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31