
সাকিব আহসান প্রতিনিধি,পীরগঞ্জ, ঠাকুরগাঁও ::প্রথম ধাপ- ধরি, ১০০০জন মানুষের মাঝে একই DNA ছিল এবং বংশ পরম্পরায় তারা একটি সুনির্দিষ্ট মতাদর্শ অনুসরণ করছিলেন। ওই এক হাজার মানুষ তাদের মতাদর্শ /Doctrine আশপাশের মানুষের উপর প্রয়োগ করতে করতে বহু-সংখ্যক অনুসারী / Disciple তৈরি করতে সক্ষম হলেন। দ্বিতীয় ধাপ- উল্লিখিত একই DNA’র এক হাজার মানুষের মাঝে মতাদর্শিক পার্থক্য ছিল। অর্থাৎ আদর্শের সব শর্তগুলো সবাই মেনে নেয়নি। এতে করে ওই এক হাজার মানুষের মাঝে মতাদর্শিক দুরত্ব এবং দ্বন্দ্ব ছিল। এর প্রভাব পড়ল সকল অনুসারীর উপর। তৃতীয় ধাপ- অনুসারীরাও মতাদর্শের পার্থক্য অনুসারে বিভাজিত হতে থাকলেন। প্রথম ধাপে উল্লিখিত আদর্শ /দর্শন /Doctrine বিভাজিত হয়ে খন্ড খন্ড আকার ধারণ করল। চতুর্থ ধাপ- খন্ডিত মতাদর্শ মানুষের ঐক্যকে খন্ডিত করল এবং প্রতিটি মতাদর্শের খন্ড একটি স্বকীয় রূপ লাভ করতে থাকল। DNA ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকলেও অনুসৃত নীতি,মতবাদ,দর্শন বিভাজনের ডালপালা মেলতে শুরু করল এবং প্রথম ধাপের ধ্রুব বৈশিষ্ট্য বিবর্তনের ধারায় মিলিয়ে গেল। পঞ্চম ধাপ- জন্ম হল পরমত-অসহিষ্ণুতার। তখন নিজেরাই নিজেদের চিনতে,মানতে,সহ্য করতে পারল না। শুরু হল Social cannibalism / সামাজিক নরমাংসভক্ষণ।
সেই সহস্র বছর পূর্বের বংশীয় / মতাদর্শিক কোন্দলের ভার আজ একবিংশ শতাব্দীতে আমরা Legacy ভেবে বয়ে বেড়াচ্ছি,সহিংসতায় লিপ্ত হচ্ছি।










