কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্র নদীর ভাঙ্গনের দুই শতাধিক পরিবারের বসতভিটা বিলীন নিঃস্ব হচ্ছে অনেকে

রুহুল আমিন রুকু : ব্রম্মপুত্রের নদীর ভয়াবহ ভাঙ্গনে পুরাতন বসতভিটা, আবাদি জমি, বিলীন হচ্ছে ।হুমকির সম্মুখীন হয়ে পড়েছে প্রায় ৫ শতাধিক পরিবার আবাদি জমি। বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি স্থাপনা। শনিবার ৩ মে ২০২৫ ইং দুপুরে সরেজমিনে জানা গেছে, কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার ১২ নং বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের ব্রহ্মপুত্র নদীর তীরবর্তী ভয়াবহ ভাঙ্গনে ৪ নং ওয়ার্ডের আকেল মামুদ (রসুলপুর) গ্রামে যাতায়াতের রাস্তা ১০ টি পুরাতন বসত ভিটা, পারিবারিক কবরস্থান গাছপালা, আবাদি জমি বিলীন হয়ে গেছে। ৭ নং ওয়ার্ডের উত্তর বালাডোবা গ্রামে শত শত একর আবাদি জমি প্রায় ২০ টি পুরাতন বসত ভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। হুমকির মুখে পড়েছে অনেক ৯ নং ওয়ার্ডের মশালের চড় গ্রামে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থানীয় জামে মসজিদ প্রায় দেড়শ পরিবারের পুরাতন বসত ভিটা আবাদি জমি বিলীন হয়ে গেছে, হুমকির মুখে পড়েছে প্রায় শতাধিক পরিবারের বসত বাড়ি অনেকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিচ্ছে বসত বাড়ি । অনেকের আশ্রয়ের সন্ধান মিলছে না। মানবতা জীবন যাপন করছেন ভাঙ্গনের কবলিত এলাকার মানুষ । অসময়ে নদী ভাঙ্গন দেখা দেওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়ছে ভুক্তভোগী অনেক পরিবার । গত এক মাসের ব্যবধানে দুই শতাধীক বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।ভাঙ্গন রোধে স্থায়ী সমাধান বা পূর্ণবাসনের নেই কোন ব্যবস্থা। গত এক মাসের ব্যবধানে ভাঙ্গনের শিকার হেলাল, রায়হান, আব্দুর রশিদ, নবীর হোসেন , সাহেব আলী, বারু মিয়া , মোক্তার, ফুল চাঁন্দ রুহুল আমিন হাসেম মন্ডল , জাদু, হাই
পাগলা, সিদ্দিক, তফিজ উদ্দিন,নুরু মিয়া ,হাসান, পাষাণ, ও সালাম সহ স্থানীয় অনেকে জানান অসময়ে ভাঙ্গনে দিশেহারা হয়ে পড়েছি। তার উপর কালবৈশাখী ঝড়ে তান্ডব কোথায় আশ্রয় নেব কোন স্থান খুঁজে পাচ্ছি না বাধ্য হয়ে বালুচরে ঝুপড়ি ঘরে তুলে গৃহপালিত পশু ও পরিবারের লোকজন কোনরকম ঠাঁই নিয়ে অর্দাহারে অনাহারে দিন কাটাচ্ছি, পূর্ণবাসনের নেই কোন ব্যবস্থা ভাঙ্গন রোধে স্থায়ী কোন ব্যবস্থা নেই। প্রতিবছর ব্রহ্মপুত্রের ভাঙ্গনে নিশ্চিহ্ন হয়ে পড়েছে পুরো এলাকা এখানে ভাঙ্গা গড়ার খেলা। স্থানীয় ইউপি সদস্য সফিকুল ইসলাম জানান, গত পাঁচ দিনের ব্যবধানে আমার নিজের বসতভিটা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে, নিজের জায়গা জমি ইতিপূর্বে সব বিলীন হয়ে যাওয়ায় কোন উপায় খুঁজে না পেয়ে বালুচরে আশ্রয় নিয়েছি । বিভিন্ন দপ্তরে অবগত করা হয়েছে। ইতিপূর্বে বিষয়টি তদন্ত করেছেন পানি উন্নয়ন বোর্ড। ভাঙ্গন রোধে ১০০০ জিও ব্যাগ ফেলানো হলেও তা কাজে আসছে না। বেগমগঞ্জ তথ্য উদ্যোক্তা নুর আলম জানান ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে আমার বসতবাড়ি ভাঙ্গনের সম্মুখীন তাই নিজ বাড়ি নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিচ্ছি।এ প্রতিবেদকের সাথে ৩ মে শনিবার দুপুরে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান এর সাথে মুঠোফোনে কথা হলে। তিনি জানান, বিষয়টি অবগত হয়েছি ৪ মে রবিবার টেন্ডার হবে তারপর ভাঙ্গন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সর্বশেষ খবর

Sat Sun Mon Tue Wed Thu Fri
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031