বাংলাদেশের প্রখ্যাত ইসলামি চিন্তাবিদ, গবেষক ও দাঈ ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রাহ.)-এর জীবন ও কর্মভিত্তিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে আলমডাঙ্গায়। ইসলামিক কালচারাল সেন্টার ‘আবর্তন’-এর আয়োজনে এবং ‘নিমগ্ন পাঠাগার’-এর সৌজন্যে শুক্রবার (২ মে) সন্ধ্যা ৭টায় হাজী মোড়ের লিয়াকত টাওয়ারস্থ লায়লা কনভেনশন হলে এ আয়োজন সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানের সূচনা বক্তব্যে শায়খ ইমদাদুল হক বলেন, “ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রাহ.) ছিলেন এক আলোকবর্তিকা। তাঁর চিন্তা ও গবেষণা তরুণদের জন্য অনন্য পথনির্দেশনা।” প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তাঁর পুত্র ও আস-সুন্নাহ ট্রাস্ট, ঝিনাইদহ-এর চেয়ারম্যান শায়খ উসামা খোন্দকার (হাফিজাহুল্লাহ)। তিনি বলেন, “আমার পিতা মানুষকে সহিহ জ্ঞান ও প্রামাণ্য তথ্যের ভিত্তিতে দ্বীন শেখার প্রতি উৎসাহিত করতেন। তিনি দল-মতের উর্ধ্বে থেকে দাওয়াতের ওপর জোর দিতেন।”বিশেষ আলোচক ছিলেন তাঁর জীবনীগ্রন্থের লেখক ও আস-সুন্নাহ ট্রাস্টের সেক্রেটারি আব্দুর রহমান (হাফিজাহুল্লাহ)। তিনি বলেন, “ড. জাহাঙ্গীর (রাহ.) চিন্তা ও কর্মের মাধ্যমে দ্বীনের সৌন্দর্য তুলে ধরেছেন এবং হকের পক্ষে অটল থেকেছেন।” সমাপনী বক্তব্যে ডা. শাফাতুল ইসলাম হিরো বলেন, “তিনি ছিলেন একজন মানুষ নন, বরং এক প্রতিষ্ঠান। তাঁর আদর্শ বাস্তব জীবনে অনুসরণ করা এবং নতুন প্রজন্মকে সেই আদর্শে গড়ে তোলা সময়ের দাবি।” সেমিনারে আলমডাঙ্গা ও আশপাশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত আলেম, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, তরুণ ও সমাজসেবীরা অংশগ্রহণ করেন। এছাড়াও এ সময় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের জামায়াত ইসলামীর মনোনয়নপ্রার্থী এডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল, চুয়াডাঙ্গা জেলা জামায়াতের আইন বিষয়ক সম্পাদক মোঃ দারুস সালাম, আলমডাঙ্গা উপজেলা জামায়াতের আমীর শফিউল আলম বকুল, বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলন আলমডাঙ্গা উপজেলা শাখার সভাপতি, এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।পরিশেষে, ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রাহ.)-এর আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।