
মোরশেদ আলম : সারাদেশে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে ও সুবিধা বঞ্চিত মানুষদেরকে নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা দু:স্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্র- (ডিএসকে)। তারই ধারাবাহিকতায় আদিবাসী বেকার যুবক যুবতীদের দক্ষ করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ২০২৪ সাল থেকে নেত্রকোণার দুর্গাপুরে ডিএসকে কতৃক পরিচালিত হচ্ছে আদিবাসী কম্পিউটার প্রশিক্ষণ সেন্টার। তিনমাস মেয়াদি প্রশিক্ষণে ৩৬ টি সেশনের মাধ্যমে কম্পিউটার প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন আদিবাসী শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতী। ইতিমধ্যে তিনটি ব্যাচে ৩২ জন মেয়ে ও ১৩ জন ছেলেসহ মোট ৪৫ জন প্রশিক্ষণ গ্রহন করে উত্তীর্ণ হয়ে সার্টিফিকেট অর্জন করেছে। আজ শুক্রবার বেলা ১১ টায় কমরেড মণি সিংহ স্মৃতি জাদুঘর হলরুমে সার্টিফিকেট বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন ডিএসকে’র নির্বাহী পরিচালক ডা. দিবালোক সিংহ।
তিনি বলেন- ডিএসকে সব সময় পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীদের নিয়ে কাজ করছে। আদিবাসীরা আমাদের সমাজে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী। তাদের জীবনমান উন্নয়নে সংস্থার পক্ষ থেকে আমরা কাজ করে যাব। আদিবাসী শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতীদের কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কোর্সে যুক্ত হয়ে দেশের দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত হওয়ার আহ্বান জানাই আমরা। অনুষ্ঠানে ডিএসকে’র সহকারী পরিচালক শামছুল আলম খান সহ সভাপতিত্বে ও আদিবাসী কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টার এর ব্যবস্থাপক মোরশেদ আলম এর সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে আলোচনা করেন কমরেড মণি সিংহ স্মৃতি জাদুঘরের তত্ত্বাবধায়ক আলকাছ উদ্দিন মীর, ডিএসকে কৈশোর কর্মসূচির কর্মকর্তা দিলীপ কুমার ঘোষ, ডিএসকে আদিবাসী নারী হোস্টেল এর হোস্টেল সুপার চিনু রেমা, কম্পিউটার প্রশিক্ষক নুরে আলম সিদ্দিকী প্রমুখ। আলোচনা শেষে উত্তীর্ণ প্রশিক্ষনার্থীদের মাঝে সার্টিফিকেট বিতরণ করা হয়।










