
মোঃ রনি রজব ভোলাহাট সংবাদদাতা: পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে কোরবানির হাটে ডিগ্রির জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত ২০ মনের বিশাল দানব আকৃতির রানী সংকর জাতের ষাঁড় চাঁপাইনবাবগঞ্জের রুবেল নামের গরুটি।চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার দুর্লভপুর ইউনিয়নের আট রশিয়া নামো দিয়ার আতাউর রহমানের বড় ছেলে গরু ব্যবসায়ী মমিনুল ইসলাম এর রুবেল গরুটি এখন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার আলোচনার তুঙ্গে রয়েছে। পা থেকে মাথা পর্যন্ত ধবধবে সাদা ষাঁড়টির বয়স যখন ৯ মাস স্থানীয় গরুর হাট থেকে ক্রয় করে এনে মমিনুল ইসলাম দুই বছর যাবত ষাঁড়টি লালন-পালন করে আসছে ষাঁড়টির ওজন ২০ ধারণা করা হচ্ছে। এর দৈর্ঘ্য ১০ ফুট ও উচ্চতা ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি। মমিনুল ইসলাম জানান, ১০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি উচ্চতার চাঁপাইনবাবগঞ্জের রুবেল কে কোরবানির হাটে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করেছেন তিনি। ষাঁড়টির ওজন এখন ২০ মন। শুধুমাত্র খর, ভুট্টা, আপেল, ভুসি, কলাসহ প্রতিদিন ৭০০ টাকার খাবার দেওয়া হয় চাঁপাইনবাবগঞ্জের রুবেল কে। প্রচুর যত্ন করা হয় এ কারণে সবার কাছে আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে ষাঁড়টি বলে দাবি করেন মমিনুল ইসলাম। কোরবানির ঈদে বিক্রির জন্য ধবধবে সাদা বর্ণের রুবেলের দাম হাকছেন সাড়ে ছয় লাখ টাকা। এর আগে এত বড় ষাঁড় দেখিনি বলে জানান স্থানীয়রা। এ সময় মমিনুল ইসলামের ভাই রাসেল জানান আমার বড় ভাই গরুর ব্যবসার পাশাপাশি ষাঁড়টি লালন পালন করেছেন। ষাঁড়টি পিছনে অনেক শ্রম দিতে দেখেছি তাকে। স্থানীয়রা জানান এই গোলটি জেলার মধ্যে আমাদের দেখা বেশি ওজনের ষাঁড়। এত বড় ষাঁড় আমরা আগে কখনো দেখিনি। মমিনুল কে ধন্যবাদ জানাই। গরু ব্যবসার পাশাপাশি গরু পালনের সফলতা পেয়েছে সে। মমিনুল ইসলাম জানান, ওর নাম চাঁপাইনবাবগঞ্জের রুবেল রেখেছি কারণ আমার ছোট ভাইয়ের নাম রুবেল তাকে ছোট ভাইয়ের মতো ভালোবাসি ভাই তার নাম রুবেল রাখা হয়েছে। কৃষিকাজ ও গরুর ব্যবসা পাশাপাশি ষাঁড়টি বড় করে পালন করতে পারায় আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। এখন বিক্রি করতে পারলেই হলো। ষাঁড়টি এত বড় করতে পারব কখনো ভাবি নি। মমিনুল ইসলাম জানান, ষাঁড়টি অনেক কষ্ট করে পালন করেছি আমি এখন এটার দাম চাচ্ছি সাড়ে ৬ লাখ টাকা।










