আলমডাঙ্গায় মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণে স্থবিরতা একপাশের গ্যালারি শেষ, অপর পাশে রড বাঁধা তিন মাস—ঢালাই হয়নি বরাদ্দের অভাবে
Spread the love

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী আলমডাঙ্গা সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠ—যা স্থানীয়ভাবে ‘এটিম মাঠ’ নামে পরিচিত—সেখানে নির্মাণাধীন মিনি স্টেডিয়ামের কাজ দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। প্রায় তিন মাস আগে একপাশে রড বাঁধা হলেও এখন পর্যন্ত এক ইঞ্চিও ঢালাই হয়নি। কাজের এই স্থবিরতার পেছনে মূল কারণ হিসেবে উঠে এসেছে বরাদ্দ সংকট।সরেজমিনে দেখা যায়, মাঠের এক পাশে গ্যালারির নির্মাণকাজ শেষ হলেও অপর পাশে শুধুমাত্র রড বাঁধা অবস্থায় পড়ে আছে। দীর্ঘ সময় ঢালাই না হওয়ায় রডে মরিচা ধরেছে। মাঠজুড়ে পড়ে থাকা নির্মাণসামগ্রী খেলাধুলার পরিবেশও নষ্ট করে দিয়েছে। এতে মাঠে চিরাচরিত ক্রীড়া কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে।জানা গেছে, ‘একটি উপজেলা, একটি মাঠ’ প্রকল্পের আওতায় মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের দায়িত্ব পেয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ই ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড। তারা প্রাথমিকভাবে কিছু কাজ করলেও বরাদ্দ না থাকায় কাজ বন্ধ করে দেয়।ক্রীড়া সংগঠক মিজানুর রহমান বলেন, “বছরের পর বছর এই মাঠে তরুণদের ক্রীড়া চর্চা চলে এসেছে। অথচ এখন সেই মাঠই পড়ে আছে নির্মাণাধীন অবস্থায়। এটা আমাদের জন্য হতাশার।”নারী ফুটবল দলের কোচ সোহাগ আলী জানান, “অনুশীলনের জন্য মাঠের বিকল্প নেই। কিন্তু এখন মাঠেই নামা যাচ্ছে না। মেয়েদের প্রস্তুতি মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।”ফ্রেন্ডস ক্লাবের ফুটবলার মীর আসাদুজ্জামান উজ্জল বলেন, “একপাশে গ্যালারি তৈরি হলেও বাকি কাজ থেমে আছে। মাঠের প্রতি এমন অবহেলা কাম্য নয়।”মন্ডল স্পোর্টসের পরিচালক মামুনুর রশিদ বলেন, “তরুণ প্রজন্মকে মাঠমুখী রাখতে হলে দ্রুত কাজ শুরু করতে হবে। এই অবহেলা বরদাশতযোগ্য নয়।”এ ব্যাপারে আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ মেহেদী ইসলাম বলেন, “কাজের গতি কিছুটা ধীর হয়ে গেছে বরাদ্দসংক্রান্ত কিছু কারণে। আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি এবং যথাসম্ভব দ্রুত কাজ শুরুর চেষ্টা চলছে।”স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, কাজ পুনরায় শুরু না হলে নির্মাণাধীন অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং সরকারের সদিচ্ছাও প্রশ্নবিদ্ধ হবে।

সর্বশেষ খবর

Sat Sun Mon Tue Wed Thu Fri
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31