
হাফেজরা নিজ থেকে টাকা আশা করে না। তারা বিনিময় ছাড়া নিঃস্বার্থভাবে কোরআন শোনায়।
কিন্তু তাদের পরিবার আছে । শখ আহ্লাদ আছে। ঈদ তাদের জন্যও আসে।
বহু হাফেজ আছে এক মাস তারাবির হাদিয়া দিয়ে তার সারা বছরের পড়াশোনা পরিবারের খরচ চালাতে হয়।
এসব মাথায় রেখে হাফেজদের সম্মানজনক হাদিয়া দেন।
মসজিদ গুলোর ফান্ডে টাকার অভাব নাই। কমিটি শুধু চাঁদা জমায় আর মসজিদের চাকচিক্য বাড়ায়। ইমাম মোয়াজ্জিন খাদেম হাফেজদের দেখেনা।
এবারে হাফেজদেরকে কমপক্ষে এক/দুই লাখ টাকা করে হাদিয়া দেন। সাথে ইমাম মুয়াজ্জিন খাদেমকেও নিয়মিত বেতনের সমপরিমাণ বোনাস দেন। এখন গ্রামের একটা ছোট মসজিদ চাইলে ১/ ২ লাখ টাকা দিতে পারে।
তারাবির কালেকশন কম থাকলে মসজিদের স্থায়ী ফান্ড থেকে ভাঙ্গেন।
মসজিদের জন্য এত টাকা জমা রাখার দরকার নাই।
ইমাম মোয়াজ্জিন হাফেজরা কখনো মুখ ফুটে কিছু দাবি করবে না।
কিন্তু আকাশের দিকে চেয়ে তারা দীর্ঘশ্বাস ফেলে।
এখনো পর্যন্ত সমাজের সবচেয়ে ভালো নিরীহ এই মানুষগুলোর দীর্ঘশ্বাস কে ভয় করুন।
আপনার মসজিদের ইমাম হাফেজ মোয়াজ্জিনরা কে কত পাচ্ছে এটার খবর নিন। কমিটির উপর নাক গলান। খবরদারি করেন। বলেন যে তাদেরকে এত এত টাকা দিতে হবে।
ইমাম মোয়াজ্জিন খাদেম হাফেজদের ঘরে ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে দেন।
লেখক: জিয়া আল হায়দার










