পাবনা জেলাতে মাদ্রাসা ছাত্রদের দিয়ে চাপাতি, সাইনেস কুড়াল, গাবের লাটি, লোহার রড নিয়ে পিরের দরবারে অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলা ভাংচুর অগ্নিসংযোগের লৌহমর্ষক ঘটনা ঘটেছে। (২২ মার্চ ২০২৫ইং) শনিবার সকাল ১০ টায় সুফি সাধক দেলোয়ার হোসাইন আল জাহাঙ্গীরের প্রতিষ্ঠিত বাসভবন ও খানকাহ শরীফে সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়ে সমস্ত কিছু লুটপাট করে নিয়ে যায় ও অগ্নিসংযোগ করে সবকিছু ধ্বংস করে দেয়। হামলা, ভাংচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় প্রধান উস্কানীদাতা ও অভিযুক্ত পাবনা জেলার দোগাছী ইউনিয়নের কায়েমকোলা গ্রামের কাজী শাহাবুদ্দিন হাফেজিয়া মাদ্রাসার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আব্দুল হাই ফারুকী নেতৃত্ব দিয়ে গত বেশ কয়েক দিন ধরে সোসাল মিডিয়া ফেইসবুকে উস্কানীমূলক পোস্ট করে নিজের মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের নিয়ে হামলার প্রস্তুতি গ্রহণ করে। তথ্য সুত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত মাওলানা আব্দুল হাই ফারুকী মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও মৌলবীদের নিয়ে গোপনে মিটিং ও প্রচারণা চালিয়ে সাধারণ মানুষকে বিক্ষুব্দ করে তুলছে বলে এলাকাবাসী অভিযোগ করেন। দরবারের প্রধান মোতাওয়াল্লী সুফি দেলোয়ার হোসাইন আল জাহাঙ্গীর গণমাধ্যম কর্মীদের অভিযোগ করে বলেন, স্থানীয় মৌলুবী মাদ্রাসার সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাই ফারুকী আমাদের দরবারের বিরুদ্ধে নানা চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র করে গেলেও পূর্ব সতর্কতা অবলম্বন করতে ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিকটস্থ থানায় গিয়ে (অফিসার ইনচার্জ) পুলিশ প্রশাসনের কাছে বারবার আইনি সহায়তা চাওয়া হলেও স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের কাছ থেকে কোন প্রকার সহযোগিতা পাওয়া যায়নি। পুলিশ প্রকাশ্যে আমাদের নিরাপত্তা দিতে অস্বীকৃতি জানায়। হামলার পূর্বে আমার বৃদ্ধা মা ও ভক্তদেরকে নিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে প্রানে বেঁচে যান। ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাংবাদিক ও সুফিবাদ সার্বজনীন ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের সেক্রেটারি আনিসুর রহমান জাফরী নিকটবর্তী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েও পুলিশ কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ না করে রহস্যজনক কারণে নিরব ভূমিকা পালন করে। ভুক্তভোগী অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনতে জেলা পুলিশ সুপারের প্রতি অনুরোধ করেন।