চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলার এলজিইডি'র রাস্তার কার্পেটিং কাজে চরম ঘাপলা। হাত দিয়ে উঠে যাচ্ছে কার্পেটিং। স্থানীয় এলাকাবাসী কাজ বন্ধ করে দেয়ায় পুলিশ দিয়ে হুমকি খোদ দায়িত্বে থাকা ইঞ্জিনিয়ারের। স্থানীয়দের অভিযোগ রাস্তার কার্পেটিং কাজ তদারকিতে উপজেলা এলজিইডির কর্মকর্তাদের গাফিলতি ও সজন প্রীতি থাকায় কাজে চরম নিয়ম হচ্ছে। সরেজমিনে দেখা যায়, দলাদলি ইউনিয়নের ভোলাহাট -রহনপুর মূল সড়ক থেকে খড়কপুর গ্রামের মাজেদার বাড়ি পর্যন্ত ৪২০ মিটার রাস্তার কার্পেটিং প্রকল্পের কাজ চলমান। প্রকল্পটি টিপু সুলতানের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে হচ্ছে। তবে কাজের কোন বিবরণী বোর্ড দেখা যায়নি। প্রকল্পের তথ্য জানতে চাইলে দায়িত্বরত উপসহকারী প্রকৌশলী তথ্য অধিকার আইনের আবেদন করতে বলেন। এলাকাবাসীর অভিযোগ যেসব অংশে কার্পেটিং শেষ হয়েছে, হাত দিয়ে টান দিলেই উঠে যাচ্ছে। কার্পেটের কাজ শেষ হতে না হতেই পুররাস্তা খানাখন্দ তৈরি ও চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়বে। কতটা দুর্নীতি ও অনিয়ম হলে রাস্তাটি এমন পরিণত হয়। রাস্তাটি সংস্কারের নির্মাণসামগ্রী দিয়ে কাজ করা হয়েছে।তাই হাতের টানে উঠে যাচ্ছে। শাজাহান আলী নামে একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, রাস্তাটি শুরু থেকেই দুই নাম্বারী হচ্ছে। ইট ও খোয়াগুলো তিন নাম্বার। পিচ গুলো হাত দিয়ে উঠে যাচ্ছে। মোঃ আব্দুল জব্বার বলেন, রাস্তাটি দীর্ঘদিন থেকে ভেঙ্গে ছিল। নতুন করে কার্পেটিং করছে কিন্তু নিম্নমানের ইট খোয়া দিয়েছে। পর্যাপ্ত বালি, পানি দেইনি। দোলনা দিয়ে ভালো করে না ডলে রাতের আঁধারে হালকা করে কালো মোবেল ছিটিয়ে সকাল থেকে কারপেটিং করা শুরু করে। এলাকাবাসীর বাধা উপেক্ষা করে ঠিকাদার কাজ অব্যাহত রাখে। সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যানের মোঃ লোকমান আলী বলেন, রাস্তাটি কাজ হচ্ছে নিম্নমানের। তিন নাম্বার ইট দিয়েছে, পানি বালি কিছু নাই। নাম কাস্তে কাজ হচ্ছে। সাইডের ইট গুলো উঠে যাচ্ছে। রোলার দিয়ে ভালোভাবে ডলা হয়নি। এলাকাবাসী তাদের বলাতে আইনের হুমকি দেয়। কোন সিডিউল বোর্ড নাই। আমরা চাই মানসম্মত কাজ হোক।