
মোঃ মিরাজুর রহমান : নীলফামারী জেলার জলঢাকা উপজেলার বালাগ্রাম ইউনিয়নে ভিজিএফ কার্ড নিয়ে চাঁদাবাজির প্রতিবাদে মানববন্ধন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। গতকাল বালাগ্রাম ইউনিয়নে এগারোটার দিকে বিএনপির পরিচয়ে বালাগ্রাম ইউনিয়নের তাঁতীদলের সভাপতি ফজলুল হক ওরফে ফজু কিছু নেতাকর্মী যান ভিজিএফ এর ৫০০ কার্ড ভাগ নেওয়ার জন্য। পরে আলোচনা চলাকালীন দুই পক্ষের মধ্যে শুরু হয়ে যায় বাকদন্দ ও তুমুল মারামরি এক পর্যায়ে ফজু ইসলাম,মহিদ ইসলাম,আপন ইসলাম, সহ বেশ কিছু নেতা বিএনপি’র মান ক্ষুন্ন করার জন্য সেখানে ৫০০ ভিজিএফ কার্ড চাঁদা দাবি করেন ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান সংরক্ষিত সদস্যদের কাছে, পড়ে দিতে অস্বীকার করলে অতর্কিত হামলা চালায় বিএনপি’র পরিচয় এসব নেতারা। পরে বিষয়টি নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে কথা হলে তিনি আশ্বাস দেন ব্যবস্থা নিবেন বলে। আজকে তারই প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় জলঢাকা জিরো পয়েন্ট মোড়ে। ভারপ্রাপ্ত প্যানেল চেয়ারম্যান বলেন আমাদের অফিসের ভেতর ঢুকে উপজেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক ফিরোজুল ইসলাম (সেবু) চৌধুরী,ও ফজলুল হক (ফজু) ইউনিয়ন তাঁতীদলের সভাপতি,আপন ইসলাম ,মহিদ, ৫০ থেকে ৬০ জন অজ্ঞাত নিয়ে আমাদের ইউনিয়ন পরিষদ রুমে ঢুকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও অতর্কিত হামলা করেন। আমি প্যানেল চেয়ারম্যান একজন মহিলা মানুষ জেনেও, আমার ইউনিয়ন পরিষদের বাকি সদস্যদের গায়ে তারা বেধর্ম মারপিট করেন। তাই আজকে আমরা সকলেই সমাবত হয়েছি জলঢাকা জিরো পয়েন্ট মোড়ে। আমরা সঠিক বিচার চাই নয়তো ইউনিয়ন পরিষদের সকল কার্যক্রম বন্ধ করে দিবো সকল প্রতিনিধিরা মিলে এমনটি বলতেছেন ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিনিধিরা। বিষয়টি খুব দুঃখজনক বলতেছেন সচেতন মহলের কিছু লোক এবং বালাগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের সচেতন নাগরিকরা, এভাবে ইউনিয়ন পরিষদে ঢুকে তাদেরকে ডাইরেক্ট গায়ে হাত দেওয়া এটা কোন নিয়ম নয়। এটা চাঁদাবাজি ছাড়া আর কিছু নয় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল একটি স্বনামধন্য দল সে দলের নেতাকর্মী হয়ে চাঁদাবাজি করবে এটা দলের নেতারা কোন সময় মেনে নেবে না। রাষ্ট্রনায়ক তারেক জিয়ার নেতৃত্বে এগিয়ে যাওয়া দলটি মান ক্ষুন্ন করার জন্য এসব নেতারাই যথেষ্ট বলতেছেন বালাগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্যগন।ফজুর বিরুদ্ধে গাছ কাটার আরো কিছু মামলা আছে বলে জানা যায়।জলঢাকাবাসী এবং বালাগ্রাম বাসীর সাধারণ জনগন এর সুষ্ঠু বিচারের দাবি করেন।










