সাকিব আহসান; ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার বেশিরভাগ আমবাগান মুকুলে মুকুলে ছেয়ে যাওয়ায় বাম্পার ফলনের আশা করছেন বাগান মালিক ও ব্যবসায়ীরা। তবে বৈরি আবহাওয়া নিয়ে কিছুটা চিন্তিত তারা। এ অবস্থায় আমের মুকুল ও গুটি ঝড়ে পড়া রোধে নিয়মিত সেচ ও কীটনাশক প্রয়োগের পরামর্শ দিচ্ছেন ফল গবেষণার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
পীরগঞ্জের কোষারাণীগঞ্জ,হাজীপুর,সেনগাঁও,জাবরহাট ও নারায়ণপুরে সবচেয়ে বেশি আম উৎপাদন হয়। ইউনিয়নগুলোতে ঘুরে দেখা গেছে মুকুল নেই, এমন কোনো গাছই নেই। উন্নত জাতের ছোট ছোট বাগানেও ব্যাপকহারে মুকুল ফুটেছে। মুকুলের মৌ মৌ গন্ধে ভরে গেছে চারদিক।
এরমধ্যে কিছু বাগানে আমের গুটি আসতে শুরু করেছে। তাই পরিচর্যায় ব্যস্ত বাগান মালিকরা। এছাড়া গাছে পোকার আক্রমণ ঠেকাতে কীটনাশক প্রয়োগ করছেন কেউ কেউ। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এবার আমের বাম্পার ফলনের আশা করছেন তারা। তবে বৈরী আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন বাগান মালিকরা। কৃষি অফিসের তথ্যমতে এবছর ১২০৭ হেক্টর জমিতে ১৬ টনের অধিক ফলনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে।
বাগান মালিকরা জানায়, আমের মুকুলে তারা আশাবাদী। এখন তাদের এ আশার বাকিটা নির্ভর করছে আবহাওয়ার ওপর। যদি আবহাওয়া ভালো থাকে, তবে এবার আমের ফলন তাদের মুখে হাসি ফোটাবে, এমনটাই বিশ্বাস তাদের।