
এইচ এম এরশাদ : যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যে শুল্ক যুদ্ধের উত্তেজনা নতুন মাত্রায় পৌঁছেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, যদি কানাডা মার্কিন পণ্যের ওপর প্রতিশোধমূলক শুল্ক আরোপ করে, তাহলে ওয়াশিংটনও কানাডিয়ান পণ্যের ওপর আরও বেশি শুল্ক বসাবে।
মঙ্গলবার (৪ মার্চ) ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে লিখেছেন, “অনুগ্রহ করে কানাডার গভর্নর ট্রুডোকে ব্যাখ্যা করুন যে তিনি যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিশোধমূলক শুল্ক আরোপ করেন, তখন আমাদের পারস্পরিক শুল্ক অবিলম্বে একই পরিমাণে বৃদ্ধি পাবে।” ট্রাম্প প্রশাসন কানাডার সমস্ত আমদানির ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কানাডিয়ান প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো পাল্টা ব্যবস্থা গ্রহণের ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, “আমাদের অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান রক্ষার জন্য আমরাও মার্কিন পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করব।” বাণিজ্য সম্পর্কের চ্যালেঞ্জ যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা দীর্ঘদিন ধরে পরস্পরের প্রধান বাণিজ্যিক অংশীদার। তবে ট্রাম্পের প্রশাসনের আগের মেয়াদেও তিনি কানাডার সঙ্গে কঠোর বাণিজ্য নীতি গ্রহণ করেছিলেন, যার ফলে উভয় দেশের মধ্যে শুল্ক নিয়ে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল। বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের শুল্ক যুদ্ধ দুই দেশের অর্থনীতিতেই নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এবং বিশ্ব বাণিজ্যে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে। পরবর্তী পদক্ষেপ কী? এখন দেখার বিষয়, কানাডা ট্রাম্পের হুমকির জবাবে কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবে এবং এই শুল্ক যুদ্ধ শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়। আন্তর্জাতিক বাজারেও এর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে ব্যবসায়ী মহল উদ্বিগ্ন।










