
মোঃ তরিকুল ইসলাম : কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতে বর্তমানে পর্যটকদের সংখ্যা কমতে শুরু করেছে, যা হোটেল-মোটেল ব্যবসায়ীদের উদ্বেগ বাড়িয়েছে। হোটেল-মোটেল মালিকরা আশঙ্কা করছেন, রমজান মাসে এই প্রবণতা আরও বাড়তে পারে। তবে, বিপরীতভাবে কাপড় ও কসমেটিক ব্যবসায়ীরা এই সময়টায় ভালো বিক্রির আশা করছেন। কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল এর মালিকপক্ষ জানান, “বিগত সপ্তাহগুলোতে পর্যটকের সংখ্যা কিছুটা কমে এসেছে, তবে রমজান মাসে তা আরও হ্রাস পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বর্তমানে হোটেলগুলোর বুকিংও অনেক কমে গেছে।” তবে, রমজান মাসকে ঘিরে কাপড় ও কসমেটিক ব্যবসায়ীরা বেশ আশাবাদী। রংধনু কসমেটিক্সের স্বত্বাধিকারী মোঃ রহমান দেওয়ান বলেন, “আমার ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, ১৫ রমজান থেকে শেষ রমজান পর্যন্ত আমার দোকানে বিক্রির ভিড় থাকে। ঈদ উপলক্ষে মানুষ প্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনতে আসে, তাই এই সময়টা আমাদের জন্য সবচেয়ে লাভজনক।” একই মত পোষণ করেন অন্য কসমেটিক ব্যবসায়ীরাও। তারা জানান, ঈদকে কেন্দ্র করে প্রসাধনী ও পোশাকের চাহিদা বেড়ে যায়, ফলে তাদের ব্যবসায় মন্দাভাবের কোনো প্রভাব পড়ে না।
এদিকে, পর্যটন বিশ্লেষকরা জানান, সাধারণত রমজান মাসে সৈকতের ব্যবসায় কিছুটা মন্দাভাব দেখা দেয়। তবে, ঈদের ছুটিতে পর্যটকদের আগমন বেড়ে গেলে হোটেল-মোটেল ব্যবসা আবার চাঙা হয়ে উঠতে পারে। সিকদার রিসোর্টের নতুন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মী মোঃ আরিফ ও ইমরান জানান, “আজ ২৮ ফেব্রুয়ারি, আমাদের রিসোর্টে মাত্র তিনটি রুম বুকিং রয়েছে, বাকি সব খালি। তবে আমরা আশা করছি, ঈদের ছুটিতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে।” এই পরিস্থিতিতে কুয়াকাটার ব্যবসায়ীরা রমজান মাসের প্রভাব সামাল দিতে প্রস্তুতি নিচ্ছেন এবং ঈদের মৌসুমে ব্যবসা আবার চাঙা হয়ে উঠবে বলে আশাবাদী।










