
রাসেদ বিল্লাহ চিশতীঃ নোয়াখালীতে মাজারে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনার মামলায় বিচারিক আদালতের মাধ্যমে ৭ প্রধান অভিযুক্তকে বিচারিক আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে প্রেরন করা হয়েছে। বুধবার বিকেলে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এমদাদ হোসেন আসামিদের জামিন আবেদন নাকচ করে দিয়ে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এর আগে এ মামলার আসামিরা নোয়াখালীর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করে। এ বিষয়ে শুনানি শেষে বিচারক ৪৪ জন আসামির মধ্যে ৩৭ জনের জামিন মঞ্জুর করেন এবং বাকি ৭ আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
কারাগারে পাঠানো ৭ আসামি হলো- সদর উপজেলার কালাদরাপ ইউনিয়নের মুন্সিরতালুক গ্রামের প্রয়াত আবুল কালামের ছেলে আবু নোমান (৫৫), আলী হায়দারের ছেলে দেলোয়ার হোসেন (৪৮), শায়েস্তা মিয়ার ছেলে মোজাম্মেল হোসেন (৪০), আবুল কালাম মৌলভী (৪৫), আবু নোমানের ছেলে মো. তারেক (২৫), আবুল বাশারের ছেলে হাম্মাদুর রহমান (২৮) ও আবকর হোসেরে ছেলে মো. শাহজাহান (২৮)।
নোয়াখালীর সদর উপজেলার কালাদরাপ ইউনিয়নের মুন্সিরতালুক গ্রামে শাহ্সূফী আইয়ুব আলী দরবেশের মাজারে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের মামলায় ৭ আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বুধবার বিকেলে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এমদাদ হোসেন আসামিদের জামিন আবেদন নাকচ করে দিয়ে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এর আগে এ মামলার আসামিরা নোয়াখালীর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করে। এ বিষয়ে শুনানি শেষে বিচারক ৪৪ জন আসামির মধ্যে ৩৭ জনের জামিন মঞ্জুর করেন এবং বাকি ৭ আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
মামলা সুত্রে জানা যায় (২০ ফেব্রুয়ারী) বৃহস্পতিবার সদর উপজেলার ৯নং কালাদরাপ ইউনিয়নের মুন্সিতালুকে শাহ সুফি আইউব আলী দরবেশের মাজারে তিন দিন ব্যপী বাৎসরিক ওরস শরীফ আয়োজনের প্রস্তুতিকালে মাজারের পাশে সোলেমান মার্কেট এলাকায় তৌহিদি জনতার ব্যানারে স্থানীয় ছাত্র শিবির ও কাওমী মাদ্রাসার ছাত্র ও দল নিয়ে ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক যুবদল নেতা মোঃ আরাফাত হোসেন, মান্দারতলি হেদায়েত নুর জামে মসজিদের সভাপতি মোজাম্মেল, শিবির কর্মী দেলোয়ার, বেলাল, তারেকুল ইসলাম তারেক, এসকে সুজন, মোঃ নোমান, মুন্সিতালুক জামে মসজিদের সভা মোস্তফা মাষ্টার, শায়েস্তা মিডা সরাসরি কয়েকশত লোকজনের হাতে চাপাতি, চাইনেজ কুড়াল, লোহার রডসহ দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে মাজার এলাকায় ককটেল ফুটিয়ে মাজারে অতর্কিত হামলা ভাংচুর চালিয়ে ওরসের প্যান্ডেল, স্টেজ, পুরো মাজার ও আস্তানা ঘর ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়ে সেনাবাহিনী ও পুলিশের উপস্থিতিতের আগুন ধরিয়ে দেয়।










