
k,m আলমডাঙ্গা জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ সংস্থার আয়োজনে বিশ্ব মেছো বিরাজ দিবস পালন উপলক্ষে র্যালি ও পথ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দিবসটির প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল ‘জনগণ যদি হয় সচেতন, মেছোবিড়াল হবে সংরক্ষণ। আলমডাঙ্গা জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ সংস্থার উদ্যোগে সকাল সাড়ে দশটার দিকে বর্ণাঢ্য র্যালি প্রদক্ষিন শেষে আলতোয়েবা মোড়ে পথসভায় সভাপতি সরকারি কলেজের ক্রীড়া শিক্ষক সাইদ হিরন। প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মেহেদী ইসলাম। তিনি বলেন মেছোবিড়াল বাংলাদেশে প্রায় সব জায়গাতেই পাওয়া যায়। এটি ছোট বিড়াল প্রজাতির প্রাণী। এরা নিশাচর, প্রধান খাবার মাছ। মূলত, গ্রামীণ বনাঞ্চলের ঘন ঝোপঝাড়ে বাস করে। আর হাওড়, বিল, পুকুর ও অন্যান্য অগভীর জলাশয় থেকে মাছ শিকার করে খায়।এরা একেবারেই হিংস্র নয় বরং মানুষের সামনে পড়লে পালিয়ে যায়। কিন্তু বর্তমান সময়ে জনসংখ্যা বাড়ার কারণে দেশের গ্রামীণ বনাঞ্চলগুলো ধীরে ধীরে হ্রাস পাচ্ছে। পরিবেশ দূষণ ও অনিয়ন্ত্রিত ভরাটের কারণে কমে প্রাকৃতিক জলাশয়গুলোর মাছের সংখ্যাও কমে যাচ্ছে। যার ফলে মেছোবিড়াল সহজেই মানুষের সামনে এসে পড়ছে। ফলে সংঘাত বাড়ছে। সাধারণ জনগণ একে চিতাবাঘের বাচ্চা, বাঘ ইত্যাদি মনে করে অহেতুক ভীতিজনিত কারণে মেরে ফেলছে। তাছাড়া খাবারের অভাবে মেছো বিড়ালগুলো মাঝেমধ্যেই হাঁস-মুরগির খামারে চলে আসছে ও মারা পড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে জনসচেতনতা সৃষ্টির কোনো বিকল্প নেই। জনগণ যদি সচেতন না হয়, তাহলে অচিরেই মেছো বিড়ালের মত এমন সুন্দর একটি প্রাণী বাংলাদেশ থেকে হারিয়ে যাবে। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা বন বিভাগের কর্মকর্তা আরিফুর রহমান, সরকারি কলেজের প্রভাষক আমিরুল ইসলাম জয়, উদ্ভিদ বিভাগের কর্মকর্তা নুরুজ্জামান।জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ সংস্থার কর্মী আরাফাত হোসেনের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ সংস্থার কর্মী শাকিল আহমেদ, মাহমুদুল হাসান, আরাফাত হোসেন, খন্দকার আলিফ, আবির হোসেন, কামরুল হাসান কাজল, বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক সোহাগ আলী।










