
আলমডাঙ্গা সরকারি কলেজের আয়োজনে এসো দেশ বদলায়,পৃথিবী বদলায়, “তারুন্যের ভাবনায় আগামির বাংলাদেশ” শির্ষক পিঠামেলার আয়োজন করা হয়।পিঠা মেলার শুভ উদ্বোধন করেন আলমডাঙ্গা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ড.মফিজুর রহমান।গতকাল সকাল ১০ টার সময় সরকারি কলেজ প্রাঙ্গনে n পিঠা মেলায় সাধারণ মানুষের চোখে পড়ার মত উপছেপড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে।মেলা প্রাঙ্গণে মোট ১২ টি স্টলে বাংলার ঐতিয্য পুরাতন দিনের পিঠা থেকে বর্তমান যুগের অত্যাধিক আবিস্কৃত পিঠার সমাহারে ডালি সাজিয়ে রেখেছে ছাত্রছাত্রীরা। পিঠা মেলার প্রতিটি স্টল পরিদর্শন করেন আলমডাঙ্গা সরকারি কলেজ অধ্যক্ষ ড, মফিজুর রহমান,ড: মাহাবুব আলম,সহকারী অধ্যাপক মহিতুরর রহমান, সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোনায়েন হোসেন,সহকারী অধ্যাপক সাইদুর রহমান, সিনিয়র প্রভাষক শরিয়োতুল্লা,প্রভাষক জামাল হোসেন,প্রভাষক মোস্তফা , ক্রীড়া শিক্ষক সাইদ হিরণ,উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি জাহিদ হাসান শুভ, যুগ্ম সম্পাদক রকিবুল হাসান রকি,হাবিবুর রহমান সাজু,রাকিব হাসান,হিরক,মেনন,লিমন প্রমুখ।মেলা উদ্বোধন কালে প্রধান অতিথি অধ্যক্ষ ড,মফিজুর রহমান বলেন তারুন্যের ভাবনায় আগামীর বাংলাদেশ কথাটি যেমন সুন্দর তেমন এটা বাস্তবায়ন করতে তরুনদের এগিয়ে আসতে হবে। মেলার স্টলে বাহারি রকম পিঠার উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়, এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য নকশি, চিতই, রস পিঠা, ডিম চিতই, দোল পিঠা, ভাপা পিঠা, পাটিসাপটা, পাকান, আন্দশা, কাটা পিঠা, ছিট পিঠা, গোকুল, ইলিশ পিঠা, চুটকি, মুঠি, জামদানি, হাড়ি পিঠা, চাপড়ি, পাতা পিঠা, ঝুড়ি পিঠাসহ নানা স্বাদের পিঠা।
তিনি আরও বলেন, ‘পিঠা-পুলি আমাদের লোকজ ও নান্দনিক সংস্কৃতিরই প্রকাশ। শহর কেন্দ্রীক জীবন জীবিকার কারণে এই দেশজ উৎসব কমে গেছে। পিঠা উৎসবের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বাঙালির নানা রকমের পিঠার সঙ্গে পরিচিত হতে পারে।আমি সকলের উত্তর উত্তর সফলতা কামনা করছি।পাশাপাশি সকলকে লেখাপড়ায় মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ দেন।










