মাসুদ চৌধুরী সাঈদ: মানিকগঞ্জে বিজ্ঞ যুগ্ম জেলা জজ ১ম আদালতে দেওয়ানী মামলা নং- ৮২/২০২৩ নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জেলার ঘিওর উপজেলার তরা গ্রামের আজিজ খানের স্ত্রী আসমা বেগমের বিরুদ্ধে মামলা চলমান অবস্থায় জমি বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। দেওয়ানী কার্যবিধি আইনের ৩৯ অর্ডার ১ রুলের বিধান মতে তৎসম ১৫১ ধারায় বাদী পক্ষ্য ১/২/৭ ও ১০ নং বিবাদীর বিরুদ্ধে বিজ্ঞ আদালতে অসহায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন করেন। বাদী তরা গ্রামের সাহাবুদ্দিন আহমেদের পুত্র মাহবুব উদ্দিন আহমেদ বলেন, ঘিওর উপজেলার অন্তর্গত সি এস ৫২১, এস এ ১৪৭, আর এস ১৪৪, নং তরা মৌজা সি এস ১৭১, এস এ ১২৯, আর এস ৪১৬ নং খতিয়ান ভুক্ত; সাবেক ৮৬৮, হাল ৭৬২ দাগ চাষি ভিটি ১০৫ শতাংশ ভূমির ৫২ শতাংশের কাত ৪২ শতাংশ ভূমি তার দখল ও দাবিকৃত। তিনি আরো বলেন, বিবাদী আসমা বেগম ও তার লোকজন দিয়ে আমাকে ও আমার স্ত্রী- সন্তানদের হুমকি-ধমকিসহ বিভিন্ন মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছেন। এবং প্রতিনিয়ত মামলা উঠিয়ে নেয়ার জন্য ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছে। আমার জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে আতঙ্কে আছি। হয়তো যেকোনো সময় বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারে তারা। অভিযোগ উঠেছে, তরা গ্রামের কর্মকার পাড়া আয়নালের পুত্র আকবর মামলা চলমান অবস্থায় তরা মৌজার ১৯ শতাংশ নালিশী ভূমি ক্রয় করেন বিবাদী আসমার নিকট থেকে। ভূমি ক্রেতা আকবর বলেন, আমি আসমার নিকট থেকে জমি ক্রয় করি। জমির খারিজো করেছি। সে আসমা বেগম এখনো আমাকে জমি দখল বুঝিয়ে দেয়নি। আসমা বেগম মুঠোফোনে জানান, আকবরের কাছে আমি ১৯ শতাংশ জমি বিক্রি করেছি। সেখানে মাহবুব বাধা চিষ্টি করেছে। আমি তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি মামলা দিয়েছি। আমার স্বামী মরহুম আজিজ খান আমাকে জমি লিখে দিয়েছেন। জমি আমার নামে খাজনা খারিজ করা। সেই সুবাদে জমির মালিক আমি। মামলা অবস্থায় জমি বিক্রি করলেন কিভাবে। এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমার জমি আমি বিক্রি করেছি এতে দোষের কিছু নেই। তিনি আরো বলেন, আমার ননদ জামাই মাহবুব আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করেছে। তার করা মামলায় সে নিজেই ফাসবে। আইনজীবী এডভোকেট সেলিম দেওয়ান জানান, মামলা চলমান অবস্থায় জমি ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে না।