
মো: শুভ ইসলাম : গাইবান্ধার উপজেলার ১১ নং গিদারী ইউনিয়নের কাউন্সিলের বাজারে এক মাসের ব্যবধানে আলুর দাম নেমেছে অর্ধেকে এর কম। এতে লোকসানের আশঙ্কা করছেন কৃষক। অপরদিকে লাভ গুনছেন পাইকার। তবে কম দামে আলু পেয়ে খুশি সাধারন ভোক্তারা ।
কৃষি বিভাগ বলছে, অনুকূল আবহাওয়া থাকায় আগাম আলুর ফলন ভালো হয়েছে। তবে উপযুক্ত দাম না পেয়ে কৃষক হতাশ। অনেকে উৎপাদন খরচ না ওঠার শঙ্কায় রয়েছেন। এমন হলে আগামী মৌসুমে আগাম আলুর চাষ কমে যাবে। কাউন্সিলের বাজারের পাইকারা জানান, গতকাল শনিবার প্রতি পাল্লা (স্থানীয়ভাবে ৫ কেজিতে এক পাল্লা) আলু বিক্রি করেছেন ১১০থেকে ১২০ টাকায়। তাতে প্রতি কেজির দাম দাঁড়ায় ২২থেকে ২৪ টাকায়। তিনি খুচরা পাইকারের মাধ্যমে আলু সংগ্রহ করেছেন ৯০ থেকে ১০০টাকা পাল্লা। আবার খুচরা পাইকাররা কৃষকের কাছ থেকে কিনছেন ৮৫থেকে ৯০ টাকা পাল্লা। এভাবে হাতবদল হয়ে বাজারে আসছে আলু। প্রত্যন্ত গ্রামের হাটবাজারে আলুর দাম কম। ক্রেতারা জানান , এক মাস আগে আলু কিনেছেন প্রতি কেজি ৬৫ থেকে ৭০ টাকায়। এখন নতুন আলু পাচ্ছেন ২২ থেকে ২৪ টাকায়। আনালের ছড়া গ্রামের কৃষক মো: মনছুর মিয়া বলেন, আগাম চাষের জন্য প্রতিকেজি আলুর বীজ কিনতে হয়েছে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায়। কিন্তু নতুন আলু বিক্রি করে উপযুক্ত দাম পাচ্ছি না। মাসের ব্যবধানে দাম অর্ধেকের বেশি কমেছে। এমন বাজারমূল্য অব্যাহত থাকলে লোকসান গুনতে হবে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মতিউল আলম বলেন, উপযুক্ত দাম না পেলে কৃষকরা চাষাবাদে উৎসাহ হারিয়ে ফেলবেন। এ জন্য সবজি হিমাগার স্থাপনসহ উৎপাদিত সবজি রপ্তানির উদ্যোগ নিলে তারা উপকৃত হবেন।










