আলমডাঙ্গা কামালপুর গ্রামের কাজলের ছেলে আব্দুল্লাহ লিখিত অভিযোগ,জহুরুলের স্ত্রী তাসলিমার পালিয়ে যাবার সাথে আমার সম্পর্ক নেই। গতকাল বিকেল ৫ টার সময় আলমডাঙ্গা প্রেসক্লাবে উপস্থিত হয়ে লিখিত অভিযোগ করেন।
আলমডাঙ্গা কুমারি ইউনিয়নের কামালপুর গ্রামের কাজলের ছেলে আব্দুল্লাহ লিখিত অভিযোগ করে বলেন,সম্প্রতি কামালপুর গ্রামের জহুরুলের স্ত্রী তাসলিমা তার স্বামীর ঘর ছেড়ে পালিয়ে গেছে।সেখানে আমাকে ইঙ্গিত করে তার পরিবার আমার নামে দোষ দিয়ে বলেছে তাসলিমাকে নিয়ে আমি পালিয়ে গেছি।যা সম্পুর্ন মিথ্যা।আমি আমার বাড়ীতেই আছি।তারা সাংবাদিকদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে আমার বিরুদ্ধে তাসলিমাকে নিয়ে নানা অসত্য তথ্য দিয়েছে,যার সাথে আমার কোন যোগাযোগ নেই।আব্দুল্লাহ সাংবাদিকদের অভিযোগ করে বলেন,আমি সামান্য একজন মহুরি।নানা কাজ কর্মে জহুরুলের পরিবারের সাথে আমাদের সু-সম্পর্ক আছে,সেটাকে কিছু মানুষ মিথ্যা তথ্য দিয়ে তাসলিমার সাথে আমার সম্পর্ক আছে বলে যে অভিযোগ করেছে আমি তাদের কে বলছি আপনারা তদন্ত করে দেখেন,তাসলিমা পালিয়ে গেছে কিনা আমি জানি না। আমি আমার বাড়ীতেই আছি।ঘটনা শোনার পর জানলাম তাসলিমা নাকি তার তার শশুর বাড়ী থেকে টাকা পয়সা জিনিস পত্র নিয়ে পালিয়ে গেছে।
গত কয়েকদিন ধরে আমার নামে মিথা অভিযোগে পত্র পত্রিকায় খবর প্রকাশিত হয়েছে, আমি নাকি কামালপুর গ্রামের জিনারুলের স্ত্রী তাসলিমা খাতুন কে ২০ লক্ষ টাকা নিয়ে উধাও হয়ে গেছি।খবরটা সম্পুন্ন মিথ্যা। আমার গ্রাম কুমারী এবং আমার কর্মস্থল আলমডাঙ্গায়।আমি এখন বাড়ীতে অবস্থান করছি।জহুরুলের স্ত্রী পালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে আমি কিছুই জানি না।আমাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য কিছু কুচক্রী মহল এই মিথ্যা বানোয়াট খবর প্রকাশিত করেছে এবং থানায় অভিযোগ করেছে।আমি সম্পন্নরূপে নির্দোষ। আমি তীব্রভাবে প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
আমি সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে প্রশাসনের কাছে আবেদন করছি যে জিনারুলের স্ত্রী তাসলিমা খাতুন কে খুজে বার করে আমার মুখোমুখি হাজির করুন।সে যদি আমারে দোষী সাব্যস্ত করে তাহলে আমার যে শাস্তি হয় আমি মাথা পেতে নেব। থানায় যে মিথ্যা অভিযোগ হয়েছে,সে ব্যাপারে আমার কোন সম্পৃক্ততা নেই।সুস্থভাবে নিরোপেক্ষ তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করার আবেদন করছি।