বাগেরহাটের রামপালে সুন্দরবনের বনদস্যু মোশাররফ বাহিনীর হামলায় মৎস্যজীবী দল নেতা তহিদ গাজীর উপর হামলার ঘটনায় বিচার দাবী করে এক সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভিকটিমের ছেলে সোহাগ গাজী।
মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুর ২ টায় প্রেসক্লাব রামপালের সামনে এ সংবাদ সম্মেলন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সোহাগ গাজী জানান, উপজেলার হুড়কা ইউনিয়ন মৎস্যজীবী দলের সভাপতি তহিদ গাজী সোমবার বিকাল ৫ টায় ঝলমলিয়া দিঘির দক্ষিণ পাড়ে বসে তৃণমূলে বিএনপির কমিটি গঠন উপলক্ষে আলোচনা করছিলেন। এমন সময় প্রতিপক্ষ রুহুল গোলদার ও ফারুক শেখের নির্দেশে বনদস্যু মোশাররফ বাহিনীর প্রধান মোশাররফ ও তার সহযোগী মারুফ ফকির, বিল্লাল গাজী, মোস্তফা গাজী এবং ফেরদাউস শেখ সহ অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা হামলা করে। তারা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে চাইনিজ কুড়াল, দা, হাতুড়ী ও লাঠিসোটা নিয়ে আমার পিতা তহিদ গাজীকে হত্যার উদ্যেশ্যে চাইনিজ কুড়াল দিয়ে মাথায় কোপ দেয়। এ সময় পাশে থাকা যুবদল নেতা জলিল মোল্লা ঠেকাতে গেলে তার উপর আক্রমণ করে তার চোখ উপড়ে ফেলার চেষ্টা করে। খবর পেয়ে পিতাকে উদ্ধার করতে গেলে প্রতিপক্ষরা হুমকি দিয়ে চলে যায়। আমার পিতা বিএনপি করায় এবং জনপ্রিয় হওয়ায় তার জনপ্রিয়তায় ইর্ষান্বিত হয়ে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা হামলা করে। কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্দেশে মাঠ পর্যায়ে কমিটি গঠনকে বাঁধাগ্রস্ত করতে পরিকল্পিতভাবে এমন হামলা করেছেন বলে বক্তব্যে উল্লেখ করে এ হামলার বিচার দাবী করেছেন।
এ সময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা বাচ্চু মোল্লা, আ. কাদের, খলিল মোল্লা ও মহিদু্ল শেখ প্রমুখ।
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মোশারেফের বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি তবে ফারুক আহমেদ এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি হামলার সময় ঘটনাস্থলে মারপিট ঠেকিয়েছেন। কাউকে কোন নির্দেশ দেননি এবং রুহুল গোলদার ঘটনাস্থলে ছিলেন না বলে সে দাবী করেন।