আবর্জনা পরিষ্কারের পর, রাস্তায় দুইদিন ফেলে রাখায় ভোগান্তি বেড়েছে দ্বিগুণ
আলমডাঙ্গা অফিসঃ অপরিকল্পিত নগরায়নের ফলে দীর্ঘদিন ধরে আলমডাঙ্গাবাসীর ভোগান্তির অন্ত নেই। ভঙ্গুর রাস্তাঘাট ও জলাবদ্ধ ড্রেনেজ ব্যবস্থায় পৌরবাসীর নাগরিক জীবন দুঃর্বিসহ হয়ে পড়েছে।
তার উপরে আবার মরার উপর খাড়ার ঘা হয়ে উঠেছে ৩নং ওয়ার্ডের আলমডাঙ্গা ক্লিনিকের গলিতে বসবাসকারী বাসিন্দাদের জীবনে।
গত দুইদিন আগে এই গলিতে অবস্থিত ড্রেনটি পৌর কর্মচারীরা পরিষ্কার করে গেলেও ড্রেনের অপসারিত বর্জ্য রাস্তায় ফেলে এলাকার বাসিন্দাদের ভোগান্তি বাড়িয়েছে।
এই গোলিটি অত্র এলাকার বাসিন্দাদের চাতাল মোড় ও ফায়ার সার্ভিসের সাথে যোগাযোগকারী অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগপথ। যেটি শর্টকাট পকেট রাস্তা হিসেবে পরিচিত এলাকার বাসিন্দাদের কাছে।
এছাড়ও এখানে রয়েছে একটি প্রাইভেট ক্লিনিক। যেখানে উপজেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ চিকিৎসা সেবা নিতে আসে, রয়েছে পৌরসভা কর্তৃক লাইসেন্সধারী একটি কোচিং সেন্টার। যেখানে অনেক ছাত্রছাত্রী পড়তে আসে।
কিন্তু এতদ্বসত্বেও ড্রেনের বর্জ্য আবর্জনা পরিষ্কার করার পরও তা অপসারণ করা হয়নি। গত দুই দিন ধরে রাস্তায় ফেলে রাখা বর্জ্য ময়লা নোংরা মানুষের নাভিশ্বাস হয়ে উঠেছে।
ময়লা দুর্গন্ধ যুক্ত পচা কাঁদা থেকে বিভিন্ন সোয়াচে রোগের প্রাদুরভাবের শঙ্কা ও আতঙ্কে দিনকাটাচ্ছে এলাকাবাসী।
এ বিষয়ে এবিসি কোচিং সেন্টারের পরিচালক আসিফ মাহমুদ বলেন, তার কোচিং সেন্টারে ছাত্র-ছাত্রীদের আসতে খুব ভোগান্তির শিকার হচ্ছে, যাদের অধিকাংশ এসএসসি পরীক্ষার্থী। তিনি আরো বলেন, "রোগীরা পার্শ্ববর্তী ক্লিনিকে আসতে পারছে না, তার বাবাসহ আশপাশের অনেক মুসল্লি মসজিদে ঠিক মত নামাজ আদায় করতে যেতে পারছে না। এদেরকে প্রচন্ড শীত ও ঝিরঝির বৃষ্টি হওয়াতে পচা কাদার দুর্গন্ধে বাসায় খেতে পর্যন্ত পারছেন না"। সব মিলিয়ে খুব সংকটে আছেন তারা।
বিষয়টি নিয়ে আলমডাঙ্গা পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ মেহেদী ইসলামের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, " এমন হওয়াটা খুবই দুঃখজনক। তিনি অবগত ছিলেন না, তবে যত দ্রুত সম্ভব সমস্যাটা সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা প্রদান করবেন বলে আশ্বাস প্রদান করেন"।
এদিকে এলাকার বাসিন্দা আসিফ মাহমুদ বলেন, দুটি নাগরিক কমিটি হওয়ার পরও আমাদের এলাকার এ ধরনের ভোগান্তি মানুষের মধ্যে হাস্যরসের আছে সৃষ্টি করেছে।