
তৌহিদ : আজ ৭ ডিসেম্বর ২০২৪ মাগুরা হানাদার মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে মাগুরা হানাদার মুক্ত হয়েছিলো। ইতিহাসবিদ ও প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় যে, ৭১-এ মাগুরার জনগণের যুদ্ধে অংশ গ্রহন ছিলো অনেক বীরত্ব গাঁথা ও স্মরণ করার মতো, যা পুরো দেশবাসীর কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবে যুগের পর যুগ।স সে সময় মাগুরা পুরোপুরি জেলায় রূপান্তরিত হয়নি। তখন মাগুরা একটি মহাকুমা হিসেবে পরিচিত ছিলো।
১৯৭১ সালে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে পশ্চিমা হানাদার বাহিনী মাগুরার পিটি আই,ভিটিআই,সিও অফিস ( বর্তমান উপজেলা পরিষদ চত্বর),মাগুরা সরকারি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়, নিউ কোর্ট বিল্ডিং, মাইক্রো ওয়েভ স্টেশন ও সরকারি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজেে তাদের ঘাঁটি গেড়ে যুদ্ধ চালাতে থাকে। এ সময় তারা শহরের মধুমতি ডাকবাংলোকে হেডকোয়ার্টার হিসেবে ব্যবহার করে সমস্ত কার্যক্রম পরিচালনা করতে থাকে।
তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানের হানাদার বাহিনী ২৬ মার্চ থেকে ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত মাগুরাবাসীর উপর অমানবিক নির্যাতন চালায়। এসময় তাদেরকে রুখে দেয়ার জন্য মাগুরার সাধারণ জনগনের সমন্বয় বিভিন্ন ব্যক্তি বর্গের নেতৃত্বে মাগুরাতে অনেকগুলো বাহিনী হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে গর্জে ওঠে।এক সময় সকল বাহিনীর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় হানাদার বাহিনী ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর মাগুরা ছাড়তে বাধ্য হয়। যার ফলশ্রুতিতে ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর মাগুরা হানাদার মুক্ত হয়।
মাগুরা হানাদার মুক্ত হলে মাগুরার সর্বস্তরের মানুষ সেদিন খুশীতে রাস্তায় নেমে মিছিল সহকারে মিষ্টি বিতরণ করে। সেদিন তারা যে আশা নিয়ে মিছিল বা মিষ্টি বিতরণ করে তাদের সে আশা আজো পুরোপুরি ভাবে পূর্ণতা পায়নি।কেননা এ জেলায় এখনো সাধারণ মানুষ তাদের অধিকার ফিরে পায়নি তারা এখনো অনেক কিছু থেকে বঞ্চিত। যদিও প্রতি বছর মাগুরাবাসী দিবসটি উৎসায়ের সাথে পালন করে কিন্ত মাঠ পর্যায়ের প্রতিটি নাগরিকের একটাই দাবি তারা যেন তাদের মত প্রকাশের স্বাধীনতা ফিরে পায়,ফিরে পায় অন্ন, বস্ত্র,বাসস্হান,চিকিৎসা, শিক্ষা সহ যাবতীয় মৌলিক অধিকার সমূহ।










