২ নভেম্বর ২০২৪ বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গঠনে মানুষ জামায়াতে ইসলামীর উপর আস্থাশীল- মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, জামায়াতে ইসলামীর কর্মকান্ডে ক্রমেই মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস বৃদ্ধি পাচ্ছে। সংগঠন, সমাজ ও রাষ্ট্রের নেতৃত্ব দেওয়ার মত যোগ্য নেতৃত্ব রয়েছে জামায়াতে ইসলামীর। বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গঠনে মানুষ জামায়াতে ইসলামীর উপর আস্থাশীল।
শুক্রবার (২২ নভেম্বর) আল ফালাহ মিলনায়তনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের ২০২৫-২০২৬ সেশনের মজলিসে শূরার প্রথম অধিবেশন প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমীর মো. নূরুল ইসলাম বুলবুলের সভাপতিত্বে শুক্রবার (২২ নভেম্বর) আল ফালাহ মিলনায়তনে ২০২৫-২০২৬ সেশনের মজলিসে শূরার প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রথমে মজলিসে শূরার প্রথম পর্যায়ে নির্বাচিত ২০৬ জন সদস্যকে (নারী-পুরুষ পৃথকভাবে) শপথ পাঠ করানো হয়। পরে দ্বিতীয় পর্যায়ে নির্বাচিত ৪১ জনের শপথ শেষে ২০২৫-২৬ সেশনের কর্মপরিষদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠিত হয়। পরে নব-নির্বাচিত নায়েবে আমীর আব্দুস সবুর ফকির ও এডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন এবং সেক্রেটারী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ শপথ গ্রহণ করেন। এছাড়াও সহকারী সেক্রেটারী হিসেবে মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসাইন সাঈদী, মোহাম্মদ কামাল হোসেন, ড. আবদুল মান্নান ও শামসুর রহমান শপথ পাঠ করেন। ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সকল দায়িত্বশীলকে শপথ পাঠ করান মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল।
মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান আরো বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতির রাজধানী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ। ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের যে কোন পর্যায়ের দায়িত্বশীল সংগঠনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ইসলামী আন্দোলন যুগে যুগে নবী-রাসুলগণ করেছেন। এই আন্দোলন নবীয়ানা আন্দোলন। এই আন্দোলনে আমরা যারা শরীক হতে পেরেছি এটা মহান আল্লাহর অনুগ্রহ ও নিয়ামত। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশে বর্তমানে যে পর্যায়ে উপনীত হয়েছে মানুষ এখন জামায়াতে ইসলামীকে নিয়ে পজিটিভ আলোচনা করছে। সাধারণ মানুষ মনে করে, সব দেখা শেষ এবার ইসলামের বাংলাদেশ।
তিনি আরো বলেন, কেউ কেউ গত ৫ আগস্ট থেকে নিজেরা ক্ষমতা আছে বলে মনে করে। তাদের চিন্তা-চেতনা এমন, ক্ষমতায় হয় তোমরা না হয় আমরা। আর কেউ এদেশ পরিচালনা করতে পারবে না। কিন্তু দিন যত যাচ্ছে মানুষের আস্থা ততই তাদের প্রতি কমছে। কারণ তাদের সাংগঠনিক কর্মকান্ডে মানুষ বিরক্ত। তিনি উপস্থিত মজলিসে শুরার সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলেন, জনগণের আস্থা ও ভালোবাসা পেতে হলে ত্যাগ স্বীকার করতে হবে। এমনভাবে ত্যাগ স্বীকার করতে হবে যেভাবে শহীদ আমীরে জামায়াত মতিউর রহমান নিজামী, শহীদ সেক্রেটারী জেনারেল আলী আহসান মুজাহিদ সহ শীর্ষ নেতৃবৃন্দের মত আপোষহীন ত্যাগ স্বীকার করতে হবে। এক আল্লাহ ব্যতিত কাউকে ভয় করা যাবে না। আল্লাহর জমিনে আল্লাহর দ্বীন কায়েম করতেই হবে।
মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতা এটিএম আজহারুল ইসলাম সহ সকল রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের নামের মিথ্যা মামলা প্রতাহার করার আহ্বান জানিয়ে বন্দীদের মুক্তি দাবি করেন।