
মোঃ মাফিজুল ইসলাম :
পাঁচবিবি মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের জরাজীর্ণ ঘরে জীবন যাপন করতেছে প্রতিবন্ধী ফজলুর পরিবার
মাথার উপরে ভাঙা টিনের ছাউনি দিয়ে ঝুপড়ি ঘরে তিন সন্তানকে নিয়ে স্ত্রী সহ প্রতিবন্ধী ফজলুর রহমানের বসবাস মাথা গোঁজানোর শেষ ঠিকানাটিও জোরাজীর্ণ ভাঙ্গাচুর এ ঝুপড়ি ঘরে চরম দুর্ভোগকে কাটাচ্ছেন জীবন যাপন মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের এক নং ওয়ার্ডের ফজলুর পরিবারটি রোদে ভিজিয়ে বৃষ্টিতে ভিজে আতঙ্ক নিয়ে বসবাস করেন রাস্তার পাশে ভাঙা ঘরে
ঘরের ভিতরে ঢুকতে হলে হামাগুড়ি দিয়ে ঢোকা ছাড়া কোনো উপায় নেই বৃষ্টি হলে, ঘরের মেঝে সয়লাব হয়ে যায় ঘরের মেঝে প্রতিবন্ধী ভাতা ছাড়া পায় না কোন সরকারি সেবা তবুও নিরুপায় হয়ে বাস করছেন ফজলুর পরিবার এ পরিবারটি পাঁচবিবির উপজেলা মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ডুগডুগি রাস্তার পাশে পাঁচগাছি নামেক স্থানে রোগ আক্রান্ত প্রতিবন্ধী হওয়ায় ফজলুর হাঁটাচলায় কষ্টসাধ্য তবুও তাকে বের হতে হয় পেটের তাগিদে জলপাই বিক্রি করতে জলপাই বিক্রি করে দিনে ২০০ থেকে ২৫০ টাকা যা আয় করেন তা দিয়ে চালান পরিবারের রান্নাবান্না কোনভাবে চললেও ঘরে নেই মাথা গোজার কোথায় টুকু নেই শীতকাল নিয়ে খুব চিন্তিত এ পরিবারটি,
স্থানীয়রা বলেন ফজলের মিয়া অনেক দুঃখে কষ্টে জীবন যাপন করতেছেন তাকে দেখার মত কেউ নেই সামনের শীতকাল নিয়ে তিন সন্তান কে নিয়ে ঘরে কিভাবে থাকবে তার পরিস্থিতিও নেই আমাদের নিজেদের কান্না পায় এই পরিবারটির কষ্ট দেখে আমরা প্রশাসনের কাছে বিশেষ করে ইউএনও মহোদয়ের কাছে বিনিময় অনুরোধ করতেছি ওনার ঘরটি মেরামত কিংবা নতুন একটি ঘর নির্মাণ করে দেয়
তার ব্যাপারে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রশিদা খাতুন বলেন সরকারিভাবে যে ঘর আসেন তা ভূমিহীনদের জন্য ফজলুর নাম ভূমিহীন এর তালিকায় নাম পাননি সেজন্য তাকে ঘর দিতে পারেননি তবে তাকে ইউনিয়নের ছোট ছোট যা সহযোগিতা আসে তাকে আমরা দিয়ে থাকি ফজলুর বিষয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সঙ্গে আবার ও কথা বলবো দেখি কোনো ব্যবস্থা করা যায় নাকি










