
মো: ইসমাইল সেনবাগ : মানবতার মুক্তি আন্দোলন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নোয়াখালী জেলার সেনবাগ উপজেলার, নবীপুর ইউনিয়ন শাখার উদ্যোগে আজ ২৬ শে অক্টোবর,রোজ শনিবার বিকেল তিনটা বাজে ইউনিয়নের গোপালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।। ইউনিয়ন সেক্রেটারী মাওলানা ফখরুদ্দিন দিদারের সঞ্চালনায় ঐতিহাসিক এই সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন, ইউনিয়ন আমীর, মাওলানা জিয়াউল হক বাবুল। উক্ত সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য, নোয়াখালী-কুমিল্লা অঞ্চল টিম সদস্য ও সাবেক নোয়াখালী জেলা আমীর, বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ জনাব মাওলানা আলাউদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও নোয়াখালী জেলা নায়েবে আমীর, নোয়াখালী ০২ (সেনবাগ-সোনাইমুড়ী আংশিক) আসনের গণমানুষের নেতা, জনাব অধ্যক্ষ মাওলানা সাইয়েদ আহমেদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন, সেনবাগ উপজেলা আমীর, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, প্রখ্যাত মুফাসসিরে কুরআন, অধ্যক্ষ মাওলানা ইয়াসিন করীম, সাবেক উপজেলা আমীর, জনাব দ্বীন মোহাম্মদ, উপজেলা নায়েবে আমীর, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান, জনাব মাওলানা আবদুল মালেক, উপজেলা সহ:সেক্রেটারি ও উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ সভাপতি, বিশিষ্ট শ্রমিক নেতা, নুরুল হুদা মিলন উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ সাধারণ সম্পাদক, ফখরুল ইসলাম ফরহাদ। সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্রশিবির নোয়াখালী জেলা উত্তর শাখার সেক্রেটারি, মেধাবী ছাত্র নেতা, দাউদ ইসলাম, সেনবাগ আদর্শ থানা শাখার সভাপতি, ফুয়াদ হাসান ও থানা সেক্রেটারি ফয়জুল ইসলাম দিদার। এছাড়াও বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উক্ত সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে, মাওলানা আলাউদ্দিন বলেন, ‘দীর্ঘ সতেরো বছর ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ জামায়াতে ইসলামীর উপর সর্বোচ্চ দমন-পীড়ন চালিয়েছে, আমাদের অসংখ্য নেতাকর্মীকে শহীদ করেছে, ২৮ শে অক্টোবর আওয়ামী লীগের লগি-বৈঠার মধ্যে দিয়ে যে অপরাজনীতি শুরু হয় সেটা ০৫ ই আগষ্ট পর্যন্ত অব্যাহত ছিল।’ তিনি জুলাই বিপ্লবে অংশগ্রহণ কারী ছাত্রজনতার বীরত্বের কথা তুলে ধরেন। এসময় তিনি জোরালো কন্ঠে ভারতীয় আধিপত্য বাদের বিরুদ্ধে কথা বলেন। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে, জননেতা অধ্যক্ষ মাওলানা সাইয়েদ আহমেদ বলেন, ‘বাংলাদেশের হত্যা, রাহাজানি, দূর্নীতি সহ সকল অনিয়ম দু:শাসনের ইতি ঘটবে শুধুমাত্র ইসলামি শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে।’ এই সময় তিনি অতীতের দু:শাসনের কথা তুলে ধরে, ভবিষ্যতে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে একটি ন্যায়, ইনসাফ ভিত্তিক ইসলামি কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় জামায়াতের কর্মীদের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা করার আহ্বান জানান। সম্মেলনে অন্যান্য বক্তারাও জামায়াতে ইসলামীর কর্মীদের কে সীসাঢালা প্রাচীরের ন্যায় দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ইস্পাত সম দৃঢ় থাকার আহ্বান জানান। জামায়াত কর্মীদেরকে সব ধরনের ত্যাগ ও কুরবানীর মানসিকতা লালন করে আগামী দিনে একটি ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে সম্পৃক্ত থাকার আহ্বান জানান। উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতি উপস্থিত সকল কর্মীকে মোবারকবাদ জানান এবং আগামী দিনে জামায়াতের সকল কার্যক্রমে কর্মীদের সক্রিয় অংশগ্রহণের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।










