টেকনাফের বাহারছড়ায় তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও হুমকির প্রতিবাদে স্থানীয়দের মানববন্ধন ।
Spread the love

মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ :মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর), গত শনিবার ১৯ অক্টোবর এক পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রোপাগাণ্ডা ছড়ানোর প্রতিবাদে স্থানীয়রা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সভা করেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মানব পাচারকারী ও ভূমিদস্যু বহু মামলার আসামী মোক্তার নামে এক ব্যক্তি ঘুষের বিনিময়ে নিরীহ মানুষকে আসামী না করায় বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেনকে মুঠোফোনে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং এক সপ্তাহের মধ্যে বদলী করার হুমকি দেন।

পরে কথোপকথন ফেসবুকে বিষয়টি ভাইরাল হলে বাহারছড়ার সর্বস্তরের জনসাধারণ মানব পাচারকারী ও ভূমিদস্যু মোক্তারের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে শামলাপুর বাজারে এক প্রতিবাদ সভা করেন।

উক্ত সভায় বক্তারা বলেন, বাহারছড়ার বর্তমান ইনচার্জ অত্যন্ত সৎ ও পরিশ্রমী, অপহরণকারী ও মানব পাচারকারীদের বিরুদ্ধে সদা সোচ্ছার দস্তগীর হোসেনের সাহসিকতায় ইতিমধ্যে ১২/১৩ টি অস্ত্র উদ্ধার সহ ডাকাতের সর্দার বহু মামলার আসামী মোর্শেদ, মোস্তাক সহ ২০ জনের বেশি আলোচিত ডাকাতকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছেন। এখন বাহারছড়াবাসী শান্তিতে ঘুমাচ্ছে।

তাঁরা আরও বলেন বর্তমানে মোক্তার-সহ তাঁর একটি সিন্ডিকেট মানবপাচারকারী ও ভূমিদস্যু অবৈধ কাজ করতে ব্যর্থ হওয়ায় এবং অবৈধ ব্যবসার সুযোগ-সুবিধা না পাওয়ার কারণে এ মানব পাচারকারী ও ভূমিদস্যু মোক্তার আহমেদ আইসি মহোদয়কেও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেছে। মোক্তার সহ সিন্ডিকেটের সবাইকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

এদিকে এক ভুক্তভোগী নাম প্রকাশ করতে অনিচ্ছুক তিনি বলেন কিছুদিন আগে অপহরণকারীদের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছি , এ বাহারছড়ার ইনচার্জ দস্তগীর না গেলে আমি আসতে পারতাম না আমার পরিবার আজীবন ঋণী হয়ে থাকবে , আমরা তাঁকে এখান থেকে সরাতে চাই না ,আমরা এখন শান্তিতে ঘুমাতে পারতেছি।

এ বিষয়ে বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন জানান, মোক্তার একটি ভূমি প্রতিরোধ আইনে বিজ্ঞ আদালতে ২৬ জনকে আসামী করে মামলা করলে তা আমার নামে তদন্তভার অর্পন করেন। সে গত ৫/৬ দিন আগে ২৬ জন সবার বিরুদ্ধে রিপোর্ট দাখিল করার জন্য আমার কাছে একটা খাম নিয়ে আসেন। আমি তা গ্রহণ না করে তদন্তে প্রাপ্ত প্রকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে রিপোর্ট দাখিল করব বলে জানানোতে ওনি আমার উপর ক্ষিপ্ত হয়।যার কারণে ওনি তদন্তে ব্যঘাত ঘটাতে হঠাৎ আমাকে মুঠোফোনে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন।পরবর্তীতে আমার নামে মিথ্যা প্রপাগাণ্ডা ছড়িয়ে ফেসবুকে একটা স্ট্যাটাস দেন যা পরবর্তীতে তিনি ডিলেট করে দেন। আমি বিষয়টি আমার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষে জানিয়েছি।মানববন্ধনের বিষয়ে আমার কাছে কোনো তথ্য ছিলো না। পরবর্তীতে শুনলাম বাহারছড়ার শামলাপুর বাজারে এলাকাবাসী আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রোপাগাণ্ডা ছড়ানোর প্রতিবাদে মানববন্ধন করছেন।

সর্বশেষ খবর

Sat Sun Mon Tue Wed Thu Fri
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31