
আলমডাঙ্গার রায়সায় শিখা খাতুন (৩৫) নামের এক গৃহবধূর গলায় ফাঁস লাগানো লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মালয়েশিয়া প্রবাসী স্বামীর পরকীয়া নিয়ে দাম্পত্য কলহের জেরে এই গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগে থানায় অপমৃত্যু মামলা করেছে তাঁর পরিবার। শিখা খাতুন উপজেলার রায়সা গ্রামের মালয়েশিয়া প্রবাসী হারুনের স্ত্রী।
স্থানীয়রা জানান , শিখা খাতুনের সঙ্গে ১৩ বছর আগে খাসকররা ইউনিয়নের হারুন (৪০) সঙ্গে বিয়ে হয়। তাঁদের এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। হারুন গত ৫ বছর আগে মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমান। তিনি তার স্ত্রী শিখা খাতুনের বড় বোন ঘিনা খাতুন (৩৮) সঙ্গে মোবাইলে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে তোলেন। গত ১ বছর আগে হারুন দেশে ছুটিতে আসেন। ওই সময় বিষয়টি জানতে পেরে শিখা খাতুন প্রতিবাদ করলে স্বামী হারুন তাঁকে মারধর করেন।
এদিকে, গত কয়েকদিন আগে ঘিনা খাতুন হারুনের সঙ্গে একাত্ম সময় কাটানো ছবি শিখার মোবাইলে পাঠায়। এনিয়ে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্য সৃষ্টি হয় । শুক্রবার রাতে ছেলে হাবিবুর রহমানকে সঙ্গে নিয়ে ঘুমাতে যায় শিখা ।
শনিবার ভোররাতে শিখা তার ছেলেকে বিছানায় রেখে ঘরের আড়ার সঙ্গে ওড়নার ফাঁস লাগিয়ে আত্নহত্যা করেন। নিহত শিখার আরেক বোন জবেদা খাতুন বলেন, শিখার স্বামীর সঙ্গে বড় বোন ঘিনার অবৈধ সম্পর্কের জেরে তাদের দাম্পত্য জিবনে কোলাহলের সৃষ্টি হয় । এ নিয়ে তার বোন মানসিক বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল। শনিবার রাতে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্নহত্যা করে।
আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। লাশের সুরতহালও নেওয়া হয়েছে।










