
চুয়াডাঙ্গা জেলা কৃষক লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা ও আলমডাঙ্গা পৌরসভার সাবেক প্যানেল মেয়র শামসাদ রানু (রাঙ্গা ভাবি)এখন জিরো থেকে হিরো।তার কোন আয়ের উৎস না থাকলেও অঢেল সম্পদের মালিক তিনি,টিনের ঝুপড়ি ঘর থেকে গড়ে তুলেছেন তিন তলা বিল্ডিং,পূর্বে ফেসবুকে আওয়ামী লীগের নানা গুণগান সহ বিরোধী দলের নেতাকর্মী ও বিরোধী দলদের নিয়ে কটুক্তি মূলক লেখালেখিতে সর্বদা ব্যস্ত থাকলেও রাতারাতি পাল্টে নিয়েছেন নিজের চরিত্র।বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ছাত্রদের বিপক্ষে রাজপথ সহ তার নিজস্ব ফেসবুকে বিভিন্ন লেখালেখির মাধ্যমে তার অবস্থান ছিল সরব।রাতারাতি নিজের ফেসবুক ওয়াল থেকে ডিলিট করেছেন সব ধরনের পোস্ট।ইতিপূর্বে তিনি মাদক, নারী দিয়ে দেহ ব্যবসা পরিচালনা করা ছাড়াও নানা অনৈতিক কাজে জড়িত থাকলেও তার ভয়ে মুখ খুলতে পারেনি এলাকার কেউ। বর্তমানে ৫ই আগস্টের পর থেকেই মুখ খুলতে শুরু করেছে এলাকাবাসী।তার ঐ ফলশ্রুতিতে এলাকাবাসী এই সামসাদ রানু রাঙ্গা ভাবীর কর্মকাণ্ডের উপর নজর রাখতে শুরু করে।কিন্তু শামসাদ রানু তার নিজস্ব ফেসবুক থেকে সব ধরনের পোস্ট ডিলিট করলেও তার নিজ বাড়িতে নারী দিয়ে রমরমা দেহ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছিলেন। এলাকাবাসী একত্রিত হয়ে গত দুইদিন পূর্বে এই শামসাদ রানুর (রাঙ্গা ভাবি) বাড়িতে তিনজন দেহ ব্যবসায়ী সহ ঘেরাও করে।সাথে সাথেই এলাকার মানুষের সামনে খুলে যায় এই রাঙ্গা ভাবীর মুখোশ। জনসম্মুখে নিজের ভুল স্বীকার করে ও এলাকাবাসীর নিকট মাফ চাইলে, এলাকাবাসী তাকে শুধরে নেওয়ার সুযোগ দেয় বলে জানা গেছে। শুধরে নেওয়ার সুযোগ দেওয়াই কাল হয়ে দাঁড়িয়ে গেছে এলাকাবাসীর সামনে,বর্তমানে এই সামসাদ রানু রাঙ্গা ভাবি এলাকার মানুষদের নানাভাবে ভয় ভীতি দেখানো সহ তাদের নামে থানা সহ সেনাবাহিনী ক্যাম্পে মামলা দেওয়ার ভয় দেখাচ্ছে বলে জানা গেছে। ইতিপূর্বে এই শামসাদ রানুর (রাঙা ভাবি) বিরুদ্ধে রাজনৈতিকভাবে আওয়ামী লীগের ক্ষমতা ব্যবহার করে, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ,সরকারি চাকরিজিবী,প্রশাসনিক ব্যক্তিবর্গ,শিক্ষক,ব্যবসায়ী সহ সাধারণ মানুষকে নারী কেলেঙ্কারি সহ নানা ভাবে জিম্মি করে অর্থ আদায় সহ রাজনৈতিক ক্ষমতা কাজে লাগিয়ে থানায় মানুষের নামে মিথ্যা মামলা ও অভিযোগ করে হয়রানির অভিযোগ রয়েছে জানা গেছে ইতিপূর্বে তার বিরুদ্ধে থানায় কেউ কোন অভিযোগ করলে, অভিযোগ তদন্তকারী অফিসারসহ পুলিশের বিভিন্ন কর্মকর্তাদের নাম জড়িয়ে ফেসবুকে বিভিন্ন বাজে স্ট্যাটাস দিত এই শামসাদ রানু রাঙ্গা ভাবি। ইতিপূর্বে আলমডাঙ্গা বহুমুখী সরকারি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে জুতাপেটা সহ নানা ভাবে মারপিট ও লাঞ্ছিত করা সহ তার নামে ফেসবুকে নানা বাজে মন্তব্য করে পোস্ট করার অপরাধে হাজতবাস করেছেন এই জেলা কৃষক লীগের নেত্রী শামসাদ রানু(রাঙ্গা ভাবি) এ বিষয়ে এরশাদপুর গ্রামের আখতারুজ্জামান বলেন, এই শামসাদ রানুর কথা আর কি বলবো,আওয়ামী লীগের আমলে সে মানুষের উপর যে সব নির্যাতন করেছে তা ভাষায় প্রকাশ করার নয়।সে নারী ব্যবসা সহ নানা অপকর্মের সাথে জড়িত,সে কৃষক লীগের নেত্রী হওয়ায় আর আওয়ামিলীগ ক্ষমতাধর মানুষ তার হাতের মুঠোয় থাকায় কেউ তার অপকর্মের বিরুদ্ধে কথা বলতে পারে নি,আওয়ামীলীগ নাই তার পরেও তার অপকর্ম কমে নাই দুই দিন আগেও তিন জন দেহ ব্যবসায়ী সহ তার নিজ বাড়িতে এলাকাবাসী আটক করেছিল।এলাকাবাসীর কাছে মাফ চাওয়ায়, এলাকাবাসী থাকে শুধরে নেওয়ার সুযোগ দিয়েছিল। কিন্তু সে এখন এলাকাবাসীকে নানাভাবে মামলার ভয় দেখাচ্ছে। এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন দেহ ব্যবসায়ী বলেন, প্রথমে আমি দেহ ব্যবসায়ী ছিলাম না, সে আমাকে নানা প্রলোভন দেখিয়ে এই রাস্তায় এনেছে,সে নিজেই খদ্দের দেয়, তার নিজের বাড়িতেই অবৈধ (শারিরীক) কাজ করায়।একজন খদ্দের ৫০০ টাকা দিলে, এই রাঙা ভাবি নেই ২৫০ টাকা আর আমাকে দেয় ২৫০ টাকা।সে আমার মত বহু মেয়েকে এই পথে এনেছে। এ বিষয়ে বিল্লাল হোসেন নামে একজন বলেন,এই লাল ভাবিকে চেনে না এমন কোন মানুষ নেই, এই লাল ভাবি কে দেখে সবাই ভয় পায়,ভাবে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিরুদ্ধ মুখ খুলতে দেয়নি, যে মুখ খুলেছে হয় তার নামে মামলা হয়েছে, না হয় নারী কেলেঙ্কারিতে ফাঁসিয়েছে।এই লাল ভাবি তার নিজ বাড়িতে বিভিন্ন জায়গার মেয়ে দিয়ে রমরমা দেহ ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে অনেকদিন ধরেই।তার ক্ষমতার কাছে এলাকাবাসী জিম্মি, তাই কেউ কিছু বলতে পারেনা। এবিষয়ে বক্তব্য নিতে শামসাদ রানুর ব্যক্তি মোবাইল ফোন নাম্বারে কল দিলে তিনি রিসিভ করেননি। পরবর্তীতে তার ফোন নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ গণি মিয়া বলেন,এ বিষয়ে শামসাদ রানি(রাঙ্গা ভাবি) বা গ্রামবাসী কোন পক্ষয় আমাকে জানায় নাই বা কোন পক্ষয় আমার নিকট কোন অভিযোগ দায়ের করেন নাই।










