মো:জাহিদুল ইসলাম : জেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের (রেজি নং- রাজ ১০৭) ত্রি-বার্ষিক সাধারণ নির্বাচন ঘিরে গাইবান্ধায় তৈরি হয়েছে উৎসবের আমেজ। রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে দিন-রাত প্রচার-প্রচারণা শেষে এখন ভোটের নানা সমীকরণ মেলাতে ব্যস্ত প্রার্থীরা। গাইবান্ধা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল ও ইউনিয়নভূক্ত নির্বাচনী এলাকাসহ জেলা শহরজুড়ে লাগানো হয়েছে পোস্টার-ফেস্টুন। সব মিলিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণায় শেষ আজ উৎসব ও ভাগ্যে মিলে দেবে প্রার্থীদের জয়। শুক্রবার (২৭ সেপ্টেম্বর) শহরের পুরাতন জেলখানা এলাকায় গাইবান্ধা বিয়াম ল্যাবরেটরী স্কুলে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে । ইতোমধ্যে প্রার্থীরা ভোটারদের কাছে ভোট চেয়ে শ্রমিকদের ভাগ্য উন্নয়নে দিয়েছেন নানা প্রতিশ্রুতি। যদিও শ্রমিকদের দাবি, ভোটের আগে নানা প্রতিশ্রুতি দিলেও নির্বাচিত হওয়ার পর শ্রমিকদের দিকে তাকান না অনেক নেতা। এবার প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্বে আছেন জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ম্যাজিস্ট্রেট (নেজারত শাখা) মো. সাদরুল আলম। এছাড়া সহকারি নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মনজুর আলম মিঠু, রফিকুল ইসলাম, শাহজালাল সরকার খোকন, মো. জাহাঙ্গীর আলম, আব্দুর রহমান, নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আজ শুক্রবার গোপন ব্যালটের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে । একজন প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও একজন সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তাসহ ৪২ জন পোলিং অফিসার ভোটগ্রহণ কাজে নিয়োজিত আছে। ১৪টি বুথে সকাল ৮টায় শুরু হয়ে বিরতীহীনভাবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। এবারের নির্বাচনে শ্রমিক ইউনিয়নের মোট ভোটারের সংখ্যা ৫ হাজার ৬৫০ জন। নির্বাচনে ১৭টি পদের বিপরীতে ৫৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতা করছেন। এরমধ্যে সভাপতি ১টি পদের বিপরীতে ২ জন, কার্যকরী সভাপতি ১টি পদের বিপরীতে ৪ জন, সহ সভাপতি ১টি পদের বিপরীতে ৬ জন, সাধারণ সম্পাদক ১টি পদের বিপরীতে ২ জন, সহ সাধারণ সম্পাদক ২টি পদের বিপরীতে ৪ জন, অর্থ সম্পাদক ১টি পদের বিপরীতে ৪ জন, সাংগঠনিক সম্পাদক ১টি পদের বিপরীতে ৩ জন, সড়ক সম্পাদক ২টি পদের বিপরীতে ৬ জন, দফতর সম্পাদক ১টি পদের বিপরীতে ৩ জন, প্রচার সম্পাদক ১টি পদের বিপরীতে ৩ জন, ক্রীড়া ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক ১টি পদের বিপরীতে ৩ জন ও কার্যকরী সদস্য ৪টি পদের বিপরীতে ১৩ জন প্রতিদ্বন্দিতা করছেন।