নওগাঁ জেলার মহাদেবপুর উপজেলায় পূর্বশত্রুতার জের ধরে হামলা চালিয়ে দুজনকে মারাত্মক জখম করা, বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ করা হয়েছে।
মহাদেবপুর থানা পুলিশ এই ঘটনায় বিদু্ৎ হোসেন (৪০) নামে একজনকে আটক করেছে। আজ বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকালে থানার এসআই কোরবান আলী তাকে আটক করে দুপুরে নওগাঁ কোর্টে পাঠান।উপজেলার উত্তরগ্রাম ইউনিয়নের উত্তরগ্রাম পলিপাড়া গ্রামের মৃত পাশন মন্ডলের ছেলে আব্দুল কুদ্দুস অভিযোগ করেন বলেন, তার ভাই সাহার উদ্দিনের (৬০) সাথে প্রতিবেশী ইছামুদ্দিনের ছেলে বিদু্ৎ হোসেনের জমিজমা সংক্রান্ত বিষয়ে বিরোধ চলে আসছিল। গত ২১ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টায় সাহার উদ্দিনের চাষ করা জমিতে বিদু্ৎ ধান রোপণ করতে যায়। খবর পেয়ে সাহার উদ্দিন সেখানে গেলে প্রতিপক্ষ বিদু্ৎ হোসেন, তার স্ত্রী মাসুদা খাতুন (৩৩), ভাই জিয়ারম্নল ইসলাম (৪৫), আফসার আলীর ছেলে মাহবুব হোসেন (২২), মিরাজ উদ্দিনের ছেলে ওবায়দুল হক (৪০) ও মিলন হোসেন (২২), ওবায়দুল হকের স্ত্রী জায়েদা খাতুন (৩৫), শাহীন হোসেনের স্ত্রী মেরিনা খাতুন (৪০), মুনছের আলীর স্ত্রী সোনাভান বেগম (৪০) ও অজ্ঞাত আরো কয়েকজন সাহার উদ্দিনকে বেদম মারপিট করে। এতে সাহার মাথায় মারাত্মক জখম হয় ও ডান হাত ভেঙ্গে যায়। তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করানো হয়।এই ঘটনার জের ধরে প্রতিপক্ষরা সাহার উদ্দিনের বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে কয়েকটি দরজা, জানালা, সাব মার্সিবল মর্টার ভাংচুর করে। তারা বাড়ির তৈজষপত্র ভাংচুর করে নগদ টাকা ও স্বার্ণালংকারও লুট করে নিয়ে যায়। তাদের হামলায় সাহার উদ্দিনের নাতি কলেজ ছাত্র রফিকুল ইসলামের চোখে মারাত্মক জখম হয়। তাকে নওগাঁ চক্ষু হাসপাতালে চিকিৎসা করানো হয়।মহাদেবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাশমত আলী জানান, এব্যাপারে গত ২৩ সেপ্টেম্বর আব্দুল কুদ্দুস বাদি হয়ে মহাদেবপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করলে বুধবার বিদু্যৎ হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়।