মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার এক সাংবাদিকের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে। জেলার শ্রীপুর উপজেলার কাদিরপাড়া ইউনিয়নের কমলাপুর গ্রামের মুন্সী মোস্তাক কামালের সাবেক স্ত্রী নাহিদা সুলতানা নামের এক নারী এই মিথ্যা মামলাটি দায়ের করেন। মিথ্যা মামলায় অভিযুক্ত সাংবাদিক কাদিরপাড়া ইউনিয়নের কমলাপুর গ্রামের সেলিম মুন্সী জাতীয় দৈনিক ঢাকার ডাক পত্রিকার একজন স্টার্ফ রিপোটার। মামলার এজাহারে ঐ সাংবাদিককে গুম, খুন ও হত্যার হুমকিদাতা হিসাবে উল্লেখ করেছেন মামলার বাদী নাহিদা সুলতানা। এছাড়াও বিভিন্ন সময় চাঁদা দাবি করার অভিযোগ ও উল্লেখ রয়েছে।
তবে সব অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট দাবি করে অভিযুক্ত জাকিউল আলম জানান বাদী নাহিদা সুলতানার সাথে তার হাজবেন্ডের সম্পর্ক খারাপ ছিলো। তারা মাগুরা জেলা লিগ্যাল এইড থেকে ডিভোর্স নিয়েছে। সেখানে ২ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা ঐ মহিলাকে দেওয়া হয়। আমি তার ডিভোর্সের সময় উপস্থিত ছিলাম বলেই আমাকেও মিথ্যা মামলা দিয়ে হেনস্তা করেছে। এরপর থেকে ঐ মহিলা আমাদের পিছু লেগেছে। জাকিউল আলম আরো জানান বাদী নাহিদা সুলতানার বাবা মৃত খোন্দকার নাজায়ের আলী শ্রীপুর উপজেলার আকবর বাহিনীর একজন উপ কমান্ডার হওয়ায় এবং পরিবারটি সরাসরি আওয়ামী লীগের রাজনীতি করায় এতদিন আমাকে প্রশাসন সহ নানা ভাবে নির্যাতন ও হয়রানি করে।আমি এবং আমার ফ্যামেলী বিএনপি পন্থী হওয়ায় এতদিন কোথাও কোন সুষ্ঠু সমাধান পাইনি।বর্তমানে বিগত সরকার না থাকায় আমি এই মামলার একটি সুষ্ঠু সমাধান আশা করছি।
উল্লেখ্য এই মামলায় আরো তিন নারীসহ ৬ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। অভিযুক্তরা হলেন সেলিম মুন্সি, সাগর, বাশার মুন্সী, নাছিমা খাতুন, ফাতেমা, সামছুন্নাহার। তারা সকলেই কমলার গ্রামের বাসিন্দা। অত্র সিআর মামলার বাদী নাহিদা সুলতানা অভিযোগ করেন যে, আসামীরা দীর্ঘদিন ধরে চাঁদা দাবি করতো। চাঁদা না দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে জমি দখল করতে আসে। এসময় আমার ছেলেরা বাধা দিলে তাদেরকে মারপিট করা হয়। আমি তাদের বাচাতে গেলে আমাকেও মারপিট করে। তবে এসব অভিযোগের কোনো সত্যতা পায়নি মামলার তদন্তে দায়িত্বে থাকা শ্রীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কামাল হোসেন। বরং তারা তখন ক্ষমতার অপব্যবহার করে নির্য়াতনের মাত্রা বাড়াতেই থাকে। তাই এতদিন নির্য়াতিত থেকেই আমাকে এবং আমার পরিবারকে চুপ থাকতে হয়েছে। বর্তমানে দেশে একটা সুষ্ঠ বিচারের পরিবেশ ফিরে আসায় আমি বিগত সরকার আমলে মিথ্যা মামলায় একজন নির্য়াতিত হিসাবে প্রশাসনের নিকট পূনরায় তদন্ত সাপেক্ষে একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ বিচার কামনা করছি।
তৌহিদ,সহসম্পাদক