
পূর্বধলা উপজেলার আগিয়া ইউনিয়ন মহিষবড় গ্রামে তুচ্ছ ঘটনা কে কেন্দ্র করে আপন ভাই ভাতিজা কর্তৃক হামলা ও মার পিঠে র ঘটনায় স্বামী স্ত্রী সন্তান সহ গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতদেরকে পূর্বধলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুজনকে রেফার্ড করেন। পূর্বধলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন তারা হলেন বাদশা মিয়ার ছেলে মেয়ে আহতরা হলেন আগিয়া ইউনিয়ন মহিষবের গ্রামের মৃত তালেব হোসেনের ছেলে, মোঃ বাদশা মিয়া, (৪৫) তার স্ত্রী মোসাম্মৎ রহিমা খাতুন, (৪০) তার ছেলে মোঃ সাদ্দাম হোসেন ( ২৬) তার মেয়ে মোসাম্মদ আকলিমা আক্তার,(২৪) স্বামী আবু সাঈদ, (৩২)
মো:সাদ্দাম হোসেন,( ২৬) পূর্বধলা থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলার বিবরণ, পূর্বের পারিবারিক কুলাহল ও ধর্ষণ চেষ্টা, ৪ বছরের শিশু বাচ্চা দিয়ে মিথ্যা মামলা দায়ের করা কে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আহত। ৪ মোঃ বাদশা মিয়া, ঘর থেকে বাহির হইলে ভাতিজা মিলন তার বোনজামাই খালেক ইদ্রিস আলী ইয়াসিন রুপা আক্তার সহ তাদেরকে রামদা বুটিদা সহ লাঠিসোটা দিয়ে এলোপাতাড়ি যখম করে, মোঃ মিলনের রামদার কুবে বাদশা মিয়ার,শরীর ক্ষত বিক্ষত হয়ে যায়। ইদ্রিস মিয়া ইয়াসিন মিয়া রুপা আক্তার এরশাদ মিয়া তাদের হাতে থাকা, বাসের লাঠি লোহার রোড দিয়ে এলোপাতাড়ি ভাবে বাদশা মিয়া , আকলিমা, রহিমা, সাদ্দামকে মারপিট করলে মাতা সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে, হাতে থাকা কাটের বাটাম দিয়ে এলোপাথাড়ি ভাবে আবারো মারপিট করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছিলা পোলা জকম করে। এ সময় সাদ্দাম তার মা-বাবাকে বাঁচানোর জন্য এগিয়ে আসলে মিলন মিয়া, রামদা দিয়া সাদ্দামকে দৌড়াইয়া এলোপাতাড়ি ভাবে মারপিট করলে পাশের মসজিদে আত্মরক্ষার জন্য আশ্রয় নেন মুসল্লিরা তাকে হেফাজত করে, তারপর আকলিমার পিট সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর যকম হয়,মোঃ ইয়াসিন মিয়া, মিলন মিয়া, আকলিমা আক্তার কে সাদ্দাম কে বাদশা মিয়া কে রহিমাকে গলা চেপে মেরে ফেলার ও হত্যার হুমকি দেয়। সুলেমা আক্তার আকলিমার গলার চেইন এবং কানের দুল জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেই, এসব ঘটনা এক পর্যায়ে গ্রামের লোকেরা আসতে চাইলে তাদেরকে বিভিন্ন ধরনের ভয় ভীতি ও হুমকি প্রদান করে, পড়ে ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়, পড়ে স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে পূর্বধলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করিয়ে দেয়, এই মামলার বাদী হয়ে আহতদের ছেলে, মোঃ সাদ্দাম হোসেন জানান থানায় মামলা দায়ের করার পর থেকে আসামিরা এখন পর্যন্ত বিভিন্ন হুমকি দিয়ে যাচ্ছে তাদেরকে দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি জানাচ্ছি। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় রা জানান, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এভাবে দুজন বয়স্ক মানুষকে ও ছেলে মেয়েকে মারপিট করা ঠিক হয়নি। আমরা এরচেয়ে বনিন্দা জানাচ্ছি এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানাচ্ছি।
পূর্বধলা অফিসার ইনচার্জ মো :তাজুল ইসলাম জানান সুষ্ঠু তদন্ত করে সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।










