পঞ্চগড় জেলা তেঁতুলিয়ায় উপজেলায় দ্বিতীয় বিয়ে করায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কর্তন করার অভিযোগ উঠেছে স্ত্রীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্ত্রী শহিদা বেগমকে (৩৫) আটক করেছে পুলিশ।
স্বজনরা আহত স্বামী শাহাজালাল (৩৮) উদ্ধার করে প্রথমে তেতুলিয়ায় হাসপাতালে ভর্তি করেছে।সোমবার ১৯ আগস্ট গভীর রাতে তেতুলিয়া উপজেলার ৩নং সদর তেতুলিয়া ইউনিয়নের কলোনী পাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে ।
মঙ্গলবার (২০ আগস্ট ) ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন তেতুলিয়া মডেল থানার ওসি সুজয় কুমার রায়।
স্থানীয়রা জানান, প্রায় ২০ বছর পুর্বে শরিয়াহ মোতাবেক বিয়ে হয় তেতুলিয়া
উপজেলার ৩নং তেতুলিয়া ইউনিয়নের কলোনী পাড়া গ্রামের ছেলে মোঃ শাহাজালাল আলীর সঙ্গে পঞ্চগড় থানা ও জেলা সাং সুদ্দেকপাড়া গ্রামের সুরুজ আলীর
মেয়ে শহিদা বেগমের সাথে । তাদের ৩ জন সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর গত ৪ বছর প্রবাস জীবন মরিশাস নামক রাস্ট্রে থাকাকালে মোছাঃ খাদেজা নামক বাংলাদেশী মহিলার সাথে পরিচয় হয়।
ওই নারীর সঙ্গে সর্ম্পক গড়ে তোলেন। গত ১৮ আগস্ট
গোপনে ওই নারীকে তিনি বিয়ে করেন। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। স্বামী শাহাজালাল আলীর
প্রথম স্ত্রীকে তার দ্বিতীয় স্ত্রীকে মেনে নিতে চাপ দেয়। এতে রাজি হয়নি শহিদা বেগম। এতে ক্ষুব্ধ হয় স্ত্রী শহিদা বেগম । গভীর রাতে শহিদা বেগম ধারাল দা দিয়ে পুরুষাঙ্গ কর্তন করেন। এ সময় শাহাজালাল আলীর
চিৎকারে স্বজনরা ছুটে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে দেখতে পান। পরে তারা তেতুলিয়া উপজেলা
হাসপাতালে নিয়ে যায়। অবস্থার অবনতি হলে হাসপাতালের চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য পঞ্চগড় এবং ঠাকুরগাঁও মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। খবর পেয়ে মডেল থানা পুলিশ রাতেই স্ত্রী শহিদা
ঘটনাস্থল থেকে আটক করেছে।বাবা ইকবাল হোসেন
বলেন, ‘আমার ছেলের এই করুণ পরিণতির জন্য ছেলের বউ শহিদা বেগম
দায়ী। আমি এ ঘটনায় শাস্তি দাবি করছি।’ মডেল থানার ওসি সুজয় কুমার
বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে স্ত্রী শহিদা বেগমকে রাতেই আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় সোমবার ১৯ আগস্ট মডেল থানায় যাহার মামলার নং ৯ দায়ের করা হয়েছে।