
মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট’২৪) এক বিবৃতিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম বলেন ৷
ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে স্বৈরাচারের লজ্জাজনক পতন হলেও তারা একের পর এক দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেই যাচ্ছে। কখনো রাতের অন্ধকারে মানুষের ঘরে ডাকাতি, কখনো লুটপাট, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির পায়তারা করেছে। সর্বশেষ তারা হিন্দু সম্প্রদায়সহ বিভিন্ন ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের উস্কে দিয়ে বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে মরিয়া হয়ে উঠেছিলো। তাদের হাত ধরে পলাতক আওয়ামী সন্ত্রাসীরাও সক্রিয় হওয়ার অপচেষ্টায় লিপ্ত ছিলো। কিন্তু সচেতন দেশবাসী ও দেশপ্রেমিক সংখ্যালঘু সম্প্রদায় তাদের সকল অসদুদ্দেশ্য ব্যর্থ করে দিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এদেশে ভারতের মতো প্রকৃত অর্থে কখনো সংখ্যালঘু নির্যাতন হয়নাই ৷ কারণ, এদেশে মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ। অতীতে যতো হামলা ভাঙচুর অগ্নিসংযোগ হয়েছে, সব হয়েছে রাজনৈতিক হীন স্বার্থে। আজকে যারা সংখ্যালঘু ট্রাম কার্ড ব্যবহার করে দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায়, তারাই মূলত সংখ্যালঘুদের শত্রু।
মুফতী ফয়জুল করীম বলেন ৷ আমরা সংখ্যালঘু সম্প্রদায় বলে কখনো কাউকে বিভাজিত করতে চাই না; বরং দেশের নাগরিক হিসাবে সবাই সমান। প্রত্যেক ধর্মীয় গোষ্ঠি নিজেদের ধর্ম-কর্ম স্বাধীনভাবে করবে এবং মানুষ ও নাগরিক হিসাবে নিজেদের অধিকার পাবে, এমন বাংলাদেশই আমরা চাই৷










