
বরিশালে সড়কের শৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালন করে প্রশংসিত হচ্ছে শিক্ষার্থীরা। ৭ দিনে তারা নগরীর প্রতিটি সড়কে যে শৃঙ্খলার মধ্যে ফিরিয়ে এনেছে তা আগে কখনও দেখা যায় নি। সম্মিলিত চেষ্টা ও দেশের প্রতি ভালবাসা থাকলে যে আসলেই চিত্র পাল্টে দেয়া সম্ভব তা সাধারণ শিক্ষার্থীরা প্রমান করেছে।
কোন ধরনের প্রশিক্ষণ ছাড়া এত ভাল তদারকিতে অবাক নগরবাসী তাই এ সকল শিক্ষার্থীর ভবিষ্যত সাফল্য ও দোয়া কামনা করেছে।
অন্যদিকে শিক্ষার্থীরা বলছে, দেশপ্রেম ও সদিচ্ছাই পারে সব কিছু পরিবর্তন করতে। তারা শুধু তাদের দায়িত্ব পালন করছে মাত্র। মঙ্গলবার ৬ই আগস্ট বিকাল থেকেই বরিশাল নগরীর কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল নথুল্লাবাদ, রুপাতলী বাসস্ট্যান্ড, আমতলা মোড়, জিরো পয়েন্ট, সদর রোড ফজলুল হক এভিনিউ, লঞ্চঘাট, জেলখানা মোড়, চৌমাথা সহ বিভিন্ন এলাকার জরুরি ও ব্যস্ত সড়কে দেখা গেছে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের কাজ করতে।
বর্তমানে তাদের সাথে যোগ দিয়েছে আনসার সদস্য, বিএনসিসি, স্কাউট, রেড ক্রিসেন্টসহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরা।
সাধারন জনগন তাদের খাবার, পানি সহ বিভিন্নভাবে সহায়তা করছে এবং অনেকেই ফুল দিয়ে শুভেচ্ছাও জানিয়েছে।তারা এমন একটি সমৃদ্ধি বাংলাদেশই চেয়েছেন।
শিক্ষার্থীরা কেউ করছে সড়ক পরিস্কার- পরিচ্ছন্ন, কেউ করছে দ্রব্যমূল্যর উর্ধ্বগতি রোধে বাজার মনিটরিং আবার কেউ নগরীর বিভিন্ন সরকারি বে-সরকারি স্থাপনার দেয়াল সহ বিভিন্ন স্থানে আঁকা অশ্লীল বাক্যের গ্রাফিতিগুলো মুছে ফেলতে দেখা গেছে । তারা বলেছে নগরীর বিভিন্ন দেয়ালে আন্দোলনের সময়ে আঁকা বিতর্কিত শব্দের গ্রাফিতিগুলো তুলে ফেলছেন তারা। দেশ তাদের, তাই দেশের পরিচ্ছন্নতার দায়িত্বও তাদের। তাই নিজেদের উদ্যোগেই করছেন। তাদের সাথে বিভিন্ন স্কুল,
কলেজ,বিশ্ববিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছে এই কাজে।










