
খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামী লীগের উদ্দ্যেগে খাগড়াছড়ি সদর কদমতলী কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্টিত হয়।এতে সভাপতিত্ব করেন পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জননেতা কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা,এমপি।উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগে, উপজেলা আওয়ামী লীগের সকল সহযোগী সংগঠনের সভাপতি / সম্পাদকরা উপস্থিত ছিলেন। খাগড়াছড়ি জেলা প্রতিনিধি।শোকাবহ আগস্ট স্মরণে
খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক নির্মলেন্দু চৌধুরী, পৌর মেয়র, আলোচনা সভার শেষে সাংবাদিকদের বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে দুই কন্যা ব্যতীত প্রায় সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করে স্বাধীনতাবিরোধী ঘাতকেরা। সেই দিবস স্মরণে তারপর থেকে প্রত্যেক বছর সারাদেশেই সেটা আমরা ক্ষমতায় থাকি অথবা না থাকি, সুখে, থাকি অথবা দুঃখে থাকি, যেকোন অবস্থাতে আমরা এই দিবসটিকে যথাযথ মর্যাদায় পালন করি। শ্রদ্ধা জানাই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে। তারই অংশ হিসেবে পহেলা আগস্ট খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামী লীগ, উপজেলার আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সহযোগী সংগঠনের সভাপতি সম্পাদক নেতাকর্মীদের নিয়ে আমরা শোক দিবসের প্রস্তুতি সভা করেছি। ধারাবাহিকভাবে মাসব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হবে।
পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা বলেন, ১৯৭১ সালে তাদের পরাজয়ের পর থেকেই জামায়াত-শিবিরকে নিষিদ্ধের দাবি ছিল। জাতির পিতা ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করেছিলেন। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুর নির্মম মৃত্যুর পর খুনী চক্রের মূল পুরোধা জিয়াউর রহমান, তার সঙ্গে খন্দকার মোস্তাক গং, তারা সকলে মিলে আবারো ধর্মভিত্তিক রাজনীতি চালু করে। গোলাম আজমকে দেশে ফেরত আনে, জামায়াতে ইসলামীকে রাজনীতি করার অনুমতি দেয়, তারাই পথটি সুগম করে দেয়। দীর্ঘদিন পরও জামায়াত-শিবির তাদের অতীতের বিভৎসতা, সহিংসতা, পশ্চাৎমুখীতা থেকে তারা সরে আসেনি। তারা হত্যা, খুন, জ্বালাও-পোড়াও রাজনীতিতে বিশ্বাস করে। সাম্প্রতিকালে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ঢুকে তারা আবারো ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে, পরিকল্পিতভাবে আমাদের গর্বের ও অহংকারের স্থাপনাসমূহ ভাংচুর ও আগুনে পুড়িয়েছে। তারা গণভবনসহ স্বাধীনতার বাড়িঘরগুলোকে টার্গেট করেছিল। সেই অপশক্তিকে আমরা এবারো মতো পরাজিত করতে পেরেছি এবং সেই কারণে এবার আর বিলম্ব নয়, জামায়াত-শিবিরের রাজনীতি চিরকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া দরকার। তাদের রাজনীতি করার সুযোগ এদেশের মাটিতে দেওয়া যায় না। এই বাংলাদেশে মুক্তিযোদ্ধারা ও তাদের বংশধরেরা এবং স্বাধীনতার চেতনাধারণকারী কোটি কোটি মানুষ আমরা মাথা উঁচু করে বসবাস করবো।
তিনি আরো বলেন, অতীতেও যেকোন দুঃসময়ে আমাদের নেতাকর্মীরা এক আহ্বানে রাজপথে চলে এসেছে। আমরা এটি বারবার প্রমাণ দিয়েছি। জামায়াত-শিবির চোরাগোপ্তা হামলা চালাতে আসলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমরা তাদেরকে মোকাবেলা করবো। কারণ জনগণ শান্তির পক্ষে, জ্বালাও-পোড়াও এর পক্ষে নয়।
শোক সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, সহ- সভাপতি চাইথংঅং মারমা,কল্যাণ মিএ বড়ুয়া, মনির হোসেন খান। যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অংসুইপ্রু চৌধুরী(অপু) এড,আশুতোষ চাকমা, সাংগঠনিক সম্পাদক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান দিদারুল আলম, জেলা পরিষদ সদস্য সুদর্শী চাকমা, খোকনেশ্বর ত্রিপুরা, শাহিনা আক্তার, জেলা আওয়ামী লীগের নেতা অনন্ত কুমার ত্রিপুরা, এড, নুরুল্লা হিরু, এবং সকল সহযোগী সংগঠনের সভাপতি সম্পাদক নেতাকর্মীবৃন্দ।










